স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্যদের তালিকা বাড়াল নির্বাচন কমিশন

- আপডেট সময় : ০৯:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন করে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়। সভায় চার নির্বাচন কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, সিটি করপোরেশন, উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা এবং জেলা পরিষদ—এই পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইনগুলোকে আরও যুগোপযোগী করতে কমিশন কাজ করছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ঋণখেলাপির গ্যারান্টার, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ওয়াসা ও ভূমি করসহ বিভিন্ন সেবার বিলখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কর্ণধারের প্রতিষ্ঠানের নামে বকেয়া থাকলেও তা অযোগ্যতার কারণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক, লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকদেরও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না রাখার বিষয়ে কমিশন একমত হয়েছে। ইসি সচিব জানান, সব স্থানীয় সরকার আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীকেও নির্বাচনকালীন দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আখতার আহমেদ বলেন, ইসি এই প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে আইন সংশোধনের সুপারিশ পাঠাবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রস্তাবগুলো উপযুক্ত মনে করলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে নির্বাচন আচরণ বিধিমালাও সংশোধন করা হবে বলে তিনি জানান।
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, বর্তমানে ১৬ বছর ও তদুর্ধ্ব বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও, ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বয়সসীমা কোন পর্যায় থেকে শুরু করা যায় তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এসএসসি নাকি অষ্টম শ্রেণি—কোন পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে, তা তুলনামূলক পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে বেলা ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৬টা পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান।’ইসি সচিব বলেন, ‘এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়, সেটা নিয়ে আরও কিছু পর্যালোচনার পরে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


























