ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ভূ-রাজনীতির চাপে অস্তিত্ব সংকটে মুসলিম ব্রাদারহুড সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ড দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ যান্ত্রিক ত্রুটিতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ বসুন্ধরায় গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫২ নেতাকর্মী কারাগারে শ্রীপুরে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে আইসক্রিম ব্যবসায়ীর মৃত্যু দেবহাটায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোপাখালী খাল দখলের অভিযোগ দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস কেন শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে: রুহুল কবির রিজভী রংপুরে কবিতা ও গানের আসরে মুখরিত প্রিয় পদাবলী উৎসব চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুই বিদেশি জাহাজের সংঘর্ষ

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস কেন শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দুশ্চিন্তা, একঘেয়েমি বা কোনো কাজে গভীরভাবে মনোযোগ দেওয়ার সময় অনেকেরই অজান্তে দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস তৈরি হয়। ছোট থেকে বড়—সব বয়সীদের মধ্যেই এই প্রবণতা দেখা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অভ্যাসকে বলা হয় 'অনিকোফ্যাগিয়া'। আপাতদৃষ্টিতে এটি সাধারণ একটি বিষয় মনে হলেও, বিশেষজ্ঞের মতে এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের একাডেমি অব ডার্মাটোলজির সদস্য এবং ওয়েইল কর্নেল মেডিকেল কলেজের নখরোগ বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড শের সতর্ক করে বলেছেন, নখ কামড়ানোর অভ্যাস স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি জানান, নখের নিচে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর জীবাণু জমে থাকে। এর মধ্যে এন্টারোব্যাকটেরিয়াসি পরিবারের ব্যাকটেরিয়া, যেমন ই. কোলাই এবং সালমোনেলার মতো জীবাণু অন্তর্ভুক্ত। দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় এসব জীবাণু মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে পরিপাকতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর ফলে পেটব্যথা ও ডায়রিয়ার মতো শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়া সম্ভব।

দীর্ঘদিন ধরে এই অভ্যাস বজায় রাখলে আঙুলের চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চামড়া ফেটে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার কারণে সেই স্থান দিয়ে ব্যাকটেরিয়া ও ইস্ট সহজেই প্রবেশ করতে পারে। এতে নখের চারপাশে লালচে ভাব, ফোলা এবং পুঁজ জমার মতো সংক্রমণ হতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে 'প্যারোনিচিয়া' বলা হয়।

সংক্রমণ গুরুতর আকার ধারণ করলে আঙুলের ডগায় তীব্র ব্যথা ও সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের প্রয়োজন পড়ে। এমনকি সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে অস্ত্রোপচারেরও দরকার হতে পারে। তাই সম্ভাব্য সব ঝুঁকি এড়াতে এই অভ্যাস দ্রুত বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস কেন শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

দুশ্চিন্তা, একঘেয়েমি বা কোনো কাজে গভীরভাবে মনোযোগ দেওয়ার সময় অনেকেরই অজান্তে দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস তৈরি হয়। ছোট থেকে বড়—সব বয়সীদের মধ্যেই এই প্রবণতা দেখা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অভ্যাসকে বলা হয় 'অনিকোফ্যাগিয়া'। আপাতদৃষ্টিতে এটি সাধারণ একটি বিষয় মনে হলেও, বিশেষজ্ঞের মতে এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের একাডেমি অব ডার্মাটোলজির সদস্য এবং ওয়েইল কর্নেল মেডিকেল কলেজের নখরোগ বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড শের সতর্ক করে বলেছেন, নখ কামড়ানোর অভ্যাস স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি জানান, নখের নিচে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর জীবাণু জমে থাকে। এর মধ্যে এন্টারোব্যাকটেরিয়াসি পরিবারের ব্যাকটেরিয়া, যেমন ই. কোলাই এবং সালমোনেলার মতো জীবাণু অন্তর্ভুক্ত। দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় এসব জীবাণু মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে পরিপাকতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর ফলে পেটব্যথা ও ডায়রিয়ার মতো শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়া সম্ভব।

দীর্ঘদিন ধরে এই অভ্যাস বজায় রাখলে আঙুলের চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চামড়া ফেটে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার কারণে সেই স্থান দিয়ে ব্যাকটেরিয়া ও ইস্ট সহজেই প্রবেশ করতে পারে। এতে নখের চারপাশে লালচে ভাব, ফোলা এবং পুঁজ জমার মতো সংক্রমণ হতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে 'প্যারোনিচিয়া' বলা হয়।

সংক্রমণ গুরুতর আকার ধারণ করলে আঙুলের ডগায় তীব্র ব্যথা ও সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের প্রয়োজন পড়ে। এমনকি সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে অস্ত্রোপচারেরও দরকার হতে পারে। তাই সম্ভাব্য সব ঝুঁকি এড়াতে এই অভ্যাস দ্রুত বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor