হুতিদের হামলায় রিয়াদ ও আবহা বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ব্যাহত
- আপডেট সময় : ০৯:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের ধারাবাহিক হামলার কবলে পড়েছে সৌদি আরবের রিয়াদ ও আবহা বিমানবন্দর। এই হামলার জেরে দেশটির বিমান চলাচল ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। রিয়াদ বিমানবন্দর থেকে বৃহস্পতিবার কয়েক ডজন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইনও তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একের পর এক হামলার কারণে গত কয়েক দিনে একাধিকবার বিমানবন্দরটির কার্যক্রম কয়েক ঘণ্টা করে বন্ধ রাখতে হয়েছে। হামলা ও নিরাপত্তার ঝুঁকির কারণে সৌদি আরবে উড়োজাহাজ ওঠানামা অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। বিমান চলাচল বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর বিকেল ৪টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত রিয়াদ থেকে নির্ধারিত ৩৭৮টি ফ্লাইটের মধ্যে ১৬৯টি বাতিল হয়েছে বা পরিচালিত হয়নি। একই সময়ে রিয়াদে আসা ৩৬৯টি ফ্লাইটের মধ্যে ১২৪টি বাতিল হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়া। রিয়াদ থেকে তাদের ১৪০টি নির্ধারিত ফ্লাইটের মধ্যে ৯৭টি এবং রিয়াদগামী ১৩৬টি ফ্লাইটের মধ্যে ৮৭টি ফ্লাইট বাতিল বা বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ফ্লাইনাসের ৯১টি বহির্গামী ফ্লাইটের মধ্যে ৩০টি, ফ্লাইএডিলের ৫৪টির মধ্যে ২০টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১৫টির মধ্যে দুটি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনগুলোর ক্ষেত্রেও বড় ধাক্কা লেগেছে। টার্কিশ এয়ারলাইনসের রিয়াদ থেকে নির্ধারিত চারটি ফ্লাইটই বাতিল হয়েছে, সেই সঙ্গে রিয়াদে আসা চারটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। কাতার এয়ারওয়েজের আটটির মধ্যে তিনটি, ইজিপ্টএয়ারের চারটির মধ্যে দুটি এবং ওমান এয়ারের তিনটির মধ্যে একটি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের নির্ধারিত ফ্লাইটগুলোও পরিচালিত হয়নি। এছাড়া শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনস, ফিলিপাইন এয়ারলাইনস, ইয়েমেনিয়া ও এজেটের একটি করে ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
সংঘাতের কারণে বিভিন্ন এয়ারলাইন তাদের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে। সিঙ্গাপুর এয়ার রিয়াদে নতুন ফ্লাইট চালুর সময় পিছিয়ে ২৮ মার্চ নির্ধারণ করেছে। ফিলিপাইন এয়ারলাইনস অন্তত ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিল করেছে। এছাড়া ক্যাথে প্যাসিফিক দুবাই ও রিয়াদের ফ্লাইট বাতিলের সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে বেশ কিছু মার্কিন ও ইউরোপীয় এয়ারলাইনও অঞ্চলটিতে ফ্লাইট পরিচালনা সীমিত রেখেছে।





























