ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ: আবেদনের শেষ সুযোগ ৬ অক্টোবর রূপসায় ছেলের পর এবার বাবাকেও গুলি করে হত্যা বিমানের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল, ১০ কর্মকর্তার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের প্রস্তুতি, যুক্ত হলো নতুন সুবিধা সৌদি আরবে আরামকোর স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি’র গণ-সমাবেশের ডাক, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য সরকারি চাকরিজীবীদের অক্টোবরের বেতনের সঙ্গেই মিলবে ৩ মাসের বকেয়া নৌপথে যুক্তরাজ্যে আসা প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার: শাবানা মাহমুদ রাড্ডায় স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত: গর্ভবতী মায়েদের পাশে ডা. তাইফ

ইরানে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার বাড়াতে পেন্টাগনের ২২.৯ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার উদ্বেগের মাঝে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে রেথিয়নের সঙ্গে ২২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের (২ হাজার ২৯০ কোটি ডলার) একটি বিশাল চুক্তি করেছে পেন্টাগন। সাত বছর মেয়াদি এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো বার্ষিক টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের হার ১ হাজারেরও বেশি ইউনিটে উন্নীত করা।

মার্কিন নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও সোমবার জানিয়েছেন, এই চুক্তিটি বর্তমান অভিযানিক চাহিদা পূরণে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের গতিকে অভূতপূর্ব পর্যায়ে ত্বরান্বিত করবে। ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই মার্কিন বাহিনী বিপুল পরিমাণ দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে আসছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী মজুত অর্ধেকের বেশি কমে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এর আগে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন নৌবাহিনীর দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এটি সাধারণত যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। নতুন এই বিশাল চুক্তিটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র শুধু তাৎক্ষণিক অস্ত্রের চাহিদা মেটানো নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনর্গঠন ও উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের শাজারে তাইয়েবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি মার্কিন টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এই হামলায় শিক্ষার্থীসহ ১৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই শিশু ছিল। প্রাথমিক তদন্ত ও ভিডিও বিশ্লেষণে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, হামলাটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিশানাগত ভুলের কারণে ঘটেছিল।

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২১: ৫৮আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২১: ৫৯

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার বাড়াতে পেন্টাগনের ২২.৯ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি

আপডেট সময় : ১০:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার উদ্বেগের মাঝে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে রেথিয়নের সঙ্গে ২২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের (২ হাজার ২৯০ কোটি ডলার) একটি বিশাল চুক্তি করেছে পেন্টাগন। সাত বছর মেয়াদি এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো বার্ষিক টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের হার ১ হাজারেরও বেশি ইউনিটে উন্নীত করা।

মার্কিন নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও সোমবার জানিয়েছেন, এই চুক্তিটি বর্তমান অভিযানিক চাহিদা পূরণে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের গতিকে অভূতপূর্ব পর্যায়ে ত্বরান্বিত করবে। ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই মার্কিন বাহিনী বিপুল পরিমাণ দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে আসছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী মজুত অর্ধেকের বেশি কমে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এর আগে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে আসার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন নৌবাহিনীর দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এটি সাধারণত যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। নতুন এই বিশাল চুক্তিটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র শুধু তাৎক্ষণিক অস্ত্রের চাহিদা মেটানো নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনর্গঠন ও উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের শাজারে তাইয়েবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি মার্কিন টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এই হামলায় শিক্ষার্থীসহ ১৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই শিশু ছিল। প্রাথমিক তদন্ত ও ভিডিও বিশ্লেষণে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, হামলাটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিশানাগত ভুলের কারণে ঘটেছিল।

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২১: ৫৮আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২১: ৫৯

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh