ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে ব্রডের মজা, ওয়ার্নারের পাল্টা বার্তা ‘বাংলাদেশকে ছোট কোরো না’ হবিগঞ্জে বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিবসহ আটক ৩ ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গাজীপুরের দুই বন্ধুর মৃত্যু গণআকাঙ্ক্ষা পূরণে গণমাধ্যমের কাঠামোগত রূপান্তর জরুরি: তথ্যমন্ত্রী কাপ্তাই প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি, সভাপতি কবির সম্পাদক ঝুলন সরকারি দপ্তরে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালুর ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর সরকারি নথিতে প্রথমবারের মতো নবম পে স্কেলের বিস্তারিত তথ্য ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ সুনামগঞ্জের ৮ যুবক, পরিবারে চলছে শোকের মাতম উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি মধুখালীতে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে বৃদ্ধের ৫ বছরের কারাদণ্ড

বেলজিয়ামে নালা খননের সময় মিলল ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সেন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ডে এলাকায় নালা লাইনের পুরোনো পাইপ পরিবর্তনের কাজ করার সময় মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এসেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও প্রাচীন মুদ্রা। ৯ মিলিয়ন ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এই সম্পদের সন্ধান পান কোবে নামের ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ, যিনি সেখানে গ্রীষ্মকালীন কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন।

কাজের সময় মাটির নিচে প্রথমে কয়েকটি মুদ্রা দেখতে পান কোবে। প্রাথমিকভাবে তিনি ও তার সহকর্মীরা সেগুলো সাধারণ ইউরো মুদ্রা ভেবেছিলেন। কিন্তু খনন কাজ চালিয়ে যাওয়ার এক পর্যায়ে তারা একটি স্বর্ণের বার খুঁজে পান। এরপর আরও গভীর খনন করলে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের মুদ্রা, স্বর্ণের টুকরা এবং নম্বরযুক্ত স্বর্ণের বারের ভাণ্ডার বেরিয়ে আসে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলো একটি ব্যাগের ভেতর ভরা ছিল, যা ওই এলাকার একটি পুরোনো ভবনের ভূগর্ভস্থ কক্ষের ইট দিয়ে বন্ধ করা দেয়ালের ভেতরে লুকানো ছিল।

জানা গেছে, ভবনটি উনিশ শতকের শেষ দিকে থিওফিলাস ভ্যান অ্যাশ নামক এক মদ ব্যবসায়ীর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১৮৯৯ সালে সেখানে মদ উৎপাদন শুরু হলেও ১৯৭০ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে ভবনটি সংস্কার করে কার্যালয় ও আবাসন তৈরির কাজ চলছে।

বিপুল এই সম্পদের সন্ধান পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পুরো এলাকাটিতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। উদ্ধার করা স্বর্ণ ও মূল্যবান সামগ্রী বর্তমানে ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। এসব সম্পদের উৎস ও প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে তদন্ত চলছে। বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকের দাবির জন্য পাঁচ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এই সময়ের মধ্যে বৈধ দাবিদার পাওয়া গেলে আইনি প্রক্রিয়ায় মালিকানা হস্তান্তর করা হবে। এদিকে এত বড় সম্পদের ভাণ্ডার খুঁজে পাওয়ার জন্য কোবে ও তার সহকর্মীরা কোনো পুরস্কার বা সম্মানী পাওয়ার আশা করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

বেলজিয়ামে নালা খননের সময় মিলল ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণ

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সেন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ডে এলাকায় নালা লাইনের পুরোনো পাইপ পরিবর্তনের কাজ করার সময় মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এসেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও প্রাচীন মুদ্রা। ৯ মিলিয়ন ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এই সম্পদের সন্ধান পান কোবে নামের ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ, যিনি সেখানে গ্রীষ্মকালীন কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন।

কাজের সময় মাটির নিচে প্রথমে কয়েকটি মুদ্রা দেখতে পান কোবে। প্রাথমিকভাবে তিনি ও তার সহকর্মীরা সেগুলো সাধারণ ইউরো মুদ্রা ভেবেছিলেন। কিন্তু খনন কাজ চালিয়ে যাওয়ার এক পর্যায়ে তারা একটি স্বর্ণের বার খুঁজে পান। এরপর আরও গভীর খনন করলে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের মুদ্রা, স্বর্ণের টুকরা এবং নম্বরযুক্ত স্বর্ণের বারের ভাণ্ডার বেরিয়ে আসে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলো একটি ব্যাগের ভেতর ভরা ছিল, যা ওই এলাকার একটি পুরোনো ভবনের ভূগর্ভস্থ কক্ষের ইট দিয়ে বন্ধ করা দেয়ালের ভেতরে লুকানো ছিল।

জানা গেছে, ভবনটি উনিশ শতকের শেষ দিকে থিওফিলাস ভ্যান অ্যাশ নামক এক মদ ব্যবসায়ীর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১৮৯৯ সালে সেখানে মদ উৎপাদন শুরু হলেও ১৯৭০ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে ভবনটি সংস্কার করে কার্যালয় ও আবাসন তৈরির কাজ চলছে।

বিপুল এই সম্পদের সন্ধান পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পুরো এলাকাটিতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। উদ্ধার করা স্বর্ণ ও মূল্যবান সামগ্রী বর্তমানে ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। এসব সম্পদের উৎস ও প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে তদন্ত চলছে। বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকের দাবির জন্য পাঁচ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এই সময়ের মধ্যে বৈধ দাবিদার পাওয়া গেলে আইনি প্রক্রিয়ায় মালিকানা হস্তান্তর করা হবে। এদিকে এত বড় সম্পদের ভাণ্ডার খুঁজে পাওয়ার জন্য কোবে ও তার সহকর্মীরা কোনো পুরস্কার বা সম্মানী পাওয়ার আশা করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh