ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের আল-কায়েদা রিপোর্ট অনুমাননির্ভর, গুরুত্ব দিচ্ছে না সরকার কালীগঞ্জে ৮০ স্কুলে নেই নৈশপ্রহরী, দেওতলা বিদ্যালয়ে দেড় লাখের চুরি ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে এডিবির সহযোগিতা রাজধানীতে বিআরটিসির বিশেষ মহিলা বাস সার্ভিসের উদ্বোধন কাল শিগগিরই গঠিত হচ্ছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯১৫ তরুণদের ‘ককরোচ’ আন্দোলনে চাপে মোদি সরকার, বিজেপির নতুন চ্যালেঞ্জ সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ কিউএস র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকার কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী নদীয়ায় কংগ্রেস নেতা ও তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা

নদীয়ায় কংগ্রেস নেতা ও তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আনিসুর রহমান তার ছেলে আবু সুফিয়ানকে নিয়ে বেথুয়াডহরি থেকে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নাগাদি রেলগেটের কাছে একদল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা প্রথমে গাড়িতে গুলি চালানোর পর আনিসুর রহমান ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত ৫০ বছর বয়সী আনিসুর রহমান বেঙ্গল কংগ্রেস কমিটির সদস্য এবং নদীয়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নাকাশিপাড়া এলাকায় দলের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। স্বাধীনতা দিবসের সময় এ ধরনের হত্যাকাণ্ড মানুষের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের জেরে নদীয়া জেলার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

নদীয়ায় কংগ্রেস নেতা ও তার ছেলেকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে আবু সুফিয়ানকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আনিসুর রহমান তার ছেলে আবু সুফিয়ানকে নিয়ে বেথুয়াডহরি থেকে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নাগাদি রেলগেটের কাছে একদল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা প্রথমে গাড়িতে গুলি চালানোর পর আনিসুর রহমান ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত ৫০ বছর বয়সী আনিসুর রহমান বেঙ্গল কংগ্রেস কমিটির সদস্য এবং নদীয়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নাকাশিপাড়া এলাকায় দলের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত আনিসুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। স্বাধীনতা দিবসের সময় এ ধরনের হত্যাকাণ্ড মানুষের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের জেরে নদীয়া জেলার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy