ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাংকিং কার্ড সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব ঈশ্বরদীতে মোবাইল শোরুমে মারামারি: ছাত্রদল নেতাসহ থানায় উভয় পক্ষ কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার ফ্রান্সে মুসলমানরা দেশ দখলের চেষ্টা করছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প সোনারগাঁয়ে এশিয়ান হাইওয়েতে ২৫০ মিটার ফাটল, ঝুঁকিতে যান চলাচল সাটুরিয়ায় ৮১ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তায় প্রস্তুত স্থানীয় প্রশাসন বেতাগীতে ফসল রক্ষায় দুই কিমি জরাজীর্ণ সড়ক মেরামতের দাবি দুর্গাপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক আহমেদ তালুকদার সাময়িক অব্যাহতিপ্রাপ্ত ‘বিদায় আনাস’, ধারাবাহিক শেষে আবেগঘন পোস্ট অভিনেতা ফারহান সাঈদের শরীয়তপুরে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বিএনপি নেতা মতিউর রহমান বহিষ্কার

‘বিদায় আনাস’, ধারাবাহিক শেষে আবেগঘন পোস্ট অভিনেতা ফারহান সাঈদের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সম্প্রতি শেষ হয়েছে পাকিস্তানি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘বাস তেরা সাথ হো’। এআরওয়াই ডিজিটালের এই নাটকে ‘আনাস’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান সাঈদ। ধারাবাহিকটি শেষ হওয়ার পর নিজের অভিনীত সেই প্রিয় চরিত্রটিকে বিদায় জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এই তারকা।

সোমবার দেওয়া ওই পোস্টে ফারহান সাঈদ লিখেছেন, ‘আজ আমি আনাসকে বিদায় জানাচ্ছি। কোনোভাবে এই বিদায়টা আমার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভারী লাগছে।’ সাধারণত পাকিস্তানি নাটকে পুরুষ চরিত্রগুলোকে শক্ত ও কর্তৃত্বপরায়ণ হিসেবে দেখানো হলেও আনাস ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। সে স্ত্রীকে ভালোবাসত, তার কাপড় ইস্ত্রি করে দিত, নাশতা বানিয়ে খাওয়াত এবং স্ত্রীর স্বপ্ন ও সিদ্ধান্তকে সমান গুরুত্ব দিত। এই চরিত্রে ফারহান সাঈদের বিপরীতে অভিনয় করেছেন সানা জাভেদ।

তবে আনাসের জীবনের পথচলা সহজ ছিল না। ছোটবেলা থেকেই চাচা, চাচি ও তাঁদের দুই সন্তানের মানসিক, মৌখিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে। সংসারের সব কাজ করার চাপে ব্যাহত হয়েছে পড়াশোনাও। এর ওপর ছিল অসুস্থ দাদার দেখভালের দায়িত্ব। এসব প্রতিকূলতার কারণে বড় হয়ে আনাস অত্যন্ত ভীতু ও চুপচাপ স্বভাবের হয়ে ওঠে, নিজের ওপর হওয়া অন্যায়েরও প্রতিবাদ করতে পারত না সে। পরবর্তীতে আত্মবিশ্বাসী ও দৃঢ়চেতা নারী আনসারের সঙ্গে বিয়ের পর ধীরে ধীরে তার জীবনে পরিবর্তন আসতে শুরু করে।

দর্শকেরা এই চরিত্রটির পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এক ভিন্ন বার্তা পেয়েছেন। নায়ক হতে হলে যে সবসময় কর্তৃত্ব দেখাতে হয় না, আনাস তারই এক অনন্য উদাহরণ। সংবেদনশীলতা, সততা ও আত্মমর্যাদাও যে একজন পুরুষের শক্তি হতে পারে, তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই চরিত্রে। ফারহানের কাছেও আনাস কেবল একটি চরিত্র ছিল না। তিনি লিখেছেন, ‘আনাস আমাকে শিখিয়েছে, কখনো কখনো শক্তি পাল্টা লড়াইয়ে নয়, টিকে থাকার মধ্যে থাকে। আর কখনো কখনো নিজের জন্য নিজেকেই বেছে নেওয়াই সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত।’ নাটকটির পরিচালক কাসিম আলী মুরিদসহ পুরো টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফারহান শেষে লিখেছেন, ‘বিদায়, আনাস। তোমাকে মিস করব।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

‘বিদায় আনাস’, ধারাবাহিক শেষে আবেগঘন পোস্ট অভিনেতা ফারহান সাঈদের

আপডেট সময় : ০৯:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

সম্প্রতি শেষ হয়েছে পাকিস্তানি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘বাস তেরা সাথ হো’। এআরওয়াই ডিজিটালের এই নাটকে ‘আনাস’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান সাঈদ। ধারাবাহিকটি শেষ হওয়ার পর নিজের অভিনীত সেই প্রিয় চরিত্রটিকে বিদায় জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এই তারকা।

সোমবার দেওয়া ওই পোস্টে ফারহান সাঈদ লিখেছেন, ‘আজ আমি আনাসকে বিদায় জানাচ্ছি। কোনোভাবে এই বিদায়টা আমার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ভারী লাগছে।’ সাধারণত পাকিস্তানি নাটকে পুরুষ চরিত্রগুলোকে শক্ত ও কর্তৃত্বপরায়ণ হিসেবে দেখানো হলেও আনাস ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। সে স্ত্রীকে ভালোবাসত, তার কাপড় ইস্ত্রি করে দিত, নাশতা বানিয়ে খাওয়াত এবং স্ত্রীর স্বপ্ন ও সিদ্ধান্তকে সমান গুরুত্ব দিত। এই চরিত্রে ফারহান সাঈদের বিপরীতে অভিনয় করেছেন সানা জাভেদ।

তবে আনাসের জীবনের পথচলা সহজ ছিল না। ছোটবেলা থেকেই চাচা, চাচি ও তাঁদের দুই সন্তানের মানসিক, মৌখিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে। সংসারের সব কাজ করার চাপে ব্যাহত হয়েছে পড়াশোনাও। এর ওপর ছিল অসুস্থ দাদার দেখভালের দায়িত্ব। এসব প্রতিকূলতার কারণে বড় হয়ে আনাস অত্যন্ত ভীতু ও চুপচাপ স্বভাবের হয়ে ওঠে, নিজের ওপর হওয়া অন্যায়েরও প্রতিবাদ করতে পারত না সে। পরবর্তীতে আত্মবিশ্বাসী ও দৃঢ়চেতা নারী আনসারের সঙ্গে বিয়ের পর ধীরে ধীরে তার জীবনে পরিবর্তন আসতে শুরু করে।

দর্শকেরা এই চরিত্রটির পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এক ভিন্ন বার্তা পেয়েছেন। নায়ক হতে হলে যে সবসময় কর্তৃত্ব দেখাতে হয় না, আনাস তারই এক অনন্য উদাহরণ। সংবেদনশীলতা, সততা ও আত্মমর্যাদাও যে একজন পুরুষের শক্তি হতে পারে, তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই চরিত্রে। ফারহানের কাছেও আনাস কেবল একটি চরিত্র ছিল না। তিনি লিখেছেন, ‘আনাস আমাকে শিখিয়েছে, কখনো কখনো শক্তি পাল্টা লড়াইয়ে নয়, টিকে থাকার মধ্যে থাকে। আর কখনো কখনো নিজের জন্য নিজেকেই বেছে নেওয়াই সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত।’ নাটকটির পরিচালক কাসিম আলী মুরিদসহ পুরো টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফারহান শেষে লিখেছেন, ‘বিদায়, আনাস। তোমাকে মিস করব।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo