অল্প বয়সে কোটি টাকা আয় করে যেভাবে পথ হারান নোবেল
- আপডেট সময় : ০১:১৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অভাবনীয় জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেছিলেন। ২০১৯ সালে ‘সারেগামাপা’ সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর তাঁর আয়ের পরিমাণ ছিল আকাশচুম্বী। সেই সময়ে মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতেন তিনি। তবে এত অল্প বয়সে অর্জিত এই জনপ্রিয়তা ও অর্থ সামলাতে পারেননি নোবেল। নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকা থাকা সত্ত্বেও সেই বয়সে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন ছিল।
নোবেলের সংগীতচর্চার শুরু অবশ্য অনেক আগে থেকেই। ছোটবেলা থেকেই তিনি বাবার আনা ক্যাসেট শুনে আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানের গান গাইতেন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো ওস্তাদের কাছে তালিম না নিলেও ২০১৬ সাল থেকে গানকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন এবং ব্যান্ড গড়ে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করেন। ২০১৯ সালে সারেগামাপায় তৃতীয় হওয়ার পর তিনি মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রের গানেও কাজ করেছেন। তবে গানের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার তিনি সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন।
নিজের সেই অস্থির সময়ের কথা স্মরণ করে নোবেল বলেন, ‘আমি সারেগামাপা থেকে যখন জনপ্রিয়তা পাই, দুহাতে টাকা আসতে থাকে। মাসে এমনও হয়েছে, ৪০–৫০, এমনকি ৬০ লাখও পেতাম। অল্প বয়সী আমি, তখন মাত্র ২৪–২৫ বছর। এত টাকা আমাকে অস্থির করে তোলে। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়ি। টাকা আমার মাথা খারাপ করে তোলে।’
তবে সেই জীবন থেকে এখন তিনি পুরোপুরি দূরে সরে এসেছেন বলে দাবি করেছেন নোবেল। গত ১০ মাস ধরে তাঁর জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলে জানান তিনি। ছেলের জন্মের পর থেকেই তাঁর জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা। বর্তমানে গান এবং সন্তানকে ঘিরেই তাঁর সব ব্যস্ততা। নোবেল বলেন, ‘এখন আমি ওসব থেকে একেবারে দূরে। বলতে পারেন, এখন ছেলেই আমার আসল পিনিক। ওকে নিয়ে আমার সময় কেটে যায়। কী দারুণ সব গান হচ্ছে।’





























