ঢাকা ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের বিকল্প কেবলই কল্পনাতীত: ড. খলিলুর রহমান পুলিশের দাবি উন্নতি, বাস্তবে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা ও উৎকণ্ঠা পাকিস্তানে অনলাইনে যৌন নিপীড়নের ফাঁদে ১৫ লাখ শিশু গাজায় বিশ্ববাসীর নিষ্ক্রিয়তা লজ্জাজনক: জাতিসংঘে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাইবান্ধা সরকারি কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে স্থানীয়ভাবে প্রতিহত করার আহ্বান প্রিন্সের স্ত্রীর মৃত্যুর তদন্তে ঘুষ: অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও আট মাসের ভাতিজিকে আছড়ে হত্যা গুলশানে গ্রেফতার সন্দ্বীপের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি মিতা যশোর প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

নতুন রূপে পর্দায় ফিরলেন প্রসেনজিৎ, মুক্তি পেল ডাক্তার কাকু

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবার পর্দায় হাজির হয়েছেন এক নতুন রূপে। গত কয়েক বছরে তাঁকে পুলিশ কিংবা রহস্যভেদী কাকাবাবুর চরিত্রে দেখা গেলেও, এবার তিনি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চিকিৎসকের চরিত্রে। পাভেল পরিচালিত ‘ডাক্তার কাকু’ নামের এই সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেয়েছে।

সিনেমার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাবা ও ছেলের গল্প, যেখানে দুজনেই চিকিৎসক। তবে পেশাগত দায়িত্ব এবং মানুষের প্রতি কর্তব্য নিয়ে তাঁদের চিন্তাধারায় রয়েছে বিস্তর ফারাক। ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের পাশাপাশি রোগীর জীবন বাঁচানোর মতো জরুরি দায়িত্ব এসে যখন মুখোমুখি দাঁড়ায়, তখন সম্পর্কের টানাপোড়েনই হয়ে ওঠে ছবির প্রধান উপজীব্য।

গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ঘিরে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক বৈষম্য। সিনেমাটি চিকিৎসার বাণিজ্যিকীকরণ, ভালো চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজনীয়তা এবং পেশাগত নৈতিকতার মতো জটিল ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের কাছ থেকেও তিনি শিখতে আগ্রহী। এই সিনেমায় তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত তরুণ অভিনেতা ঋদ্ধি সেন। প্রসেনজিৎ বলেন, ‘ঋদ্ধির কোনো কাজ বা ভিডিও ভালো লাগলে মাঝরাতেও ওকে মেসেজ দিই। নতুন প্রজন্মের নিজস্ব একটি অভিনয়ের ভাষা তৈরি হয়েছে। সেই ভাষার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াও জরুরি। কোনো জটিল দৃশ্য থাকলে শুটিংয়ের আগে ঋদ্ধির সঙ্গে বসে স্ক্রিপ্ট পড়তাম।’

ছবিতে প্রসেনজিতের চরিত্রটি কেবল পেশাগত পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে মিশে আছে মধ্যবিত্ত মানসিকতা, নিজস্ব বিশ্বাস ও আদর্শ। চরিত্রটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছবিটিতে বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনের পরিচিত আবহ এবং শিকড়ের কাছাকাছি থাকা বাঙালিয়ানা রয়েছে। চরিত্রটি পরিচিত মনে হলেও এমন চরিত্র আগে করা হয়নি।’

সংবাদ প্রতিদিন–এর সঙ্গে আলাপকালে প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ‘আমি আবেগপ্রবণ মানুষ এবং অতীতের সঙ্গে যুক্ত শিকড়কে আঁকড়ে থাকতে ভালোবাসি। সিনেমাটি সেই শিকড়ের গল্প বলতে চেয়েছে। আমার জীবনেও এমন একাধিক ডাক্তার কাকু দেখেছি। তাই চরিত্রটির কথা শুনে রাজি না হয়ে পারিনি।’ উল্লেখ্য, সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেলেও এর নির্মাণপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল করোনা মহামারির আগে। দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল। সিনেমাটিতে ঋদ্ধি সেন ও প্রসেনজিতের পাশাপাশি এনা সাহাও রয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন রূপে পর্দায় ফিরলেন প্রসেনজিৎ, মুক্তি পেল ডাক্তার কাকু

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবার পর্দায় হাজির হয়েছেন এক নতুন রূপে। গত কয়েক বছরে তাঁকে পুলিশ কিংবা রহস্যভেদী কাকাবাবুর চরিত্রে দেখা গেলেও, এবার তিনি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চিকিৎসকের চরিত্রে। পাভেল পরিচালিত ‘ডাক্তার কাকু’ নামের এই সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেয়েছে।

সিনেমার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাবা ও ছেলের গল্প, যেখানে দুজনেই চিকিৎসক। তবে পেশাগত দায়িত্ব এবং মানুষের প্রতি কর্তব্য নিয়ে তাঁদের চিন্তাধারায় রয়েছে বিস্তর ফারাক। ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের পাশাপাশি রোগীর জীবন বাঁচানোর মতো জরুরি দায়িত্ব এসে যখন মুখোমুখি দাঁড়ায়, তখন সম্পর্কের টানাপোড়েনই হয়ে ওঠে ছবির প্রধান উপজীব্য।

গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ঘিরে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক বৈষম্য। সিনেমাটি চিকিৎসার বাণিজ্যিকীকরণ, ভালো চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজনীয়তা এবং পেশাগত নৈতিকতার মতো জটিল ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের কাছ থেকেও তিনি শিখতে আগ্রহী। এই সিনেমায় তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত তরুণ অভিনেতা ঋদ্ধি সেন। প্রসেনজিৎ বলেন, ‘ঋদ্ধির কোনো কাজ বা ভিডিও ভালো লাগলে মাঝরাতেও ওকে মেসেজ দিই। নতুন প্রজন্মের নিজস্ব একটি অভিনয়ের ভাষা তৈরি হয়েছে। সেই ভাষার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াও জরুরি। কোনো জটিল দৃশ্য থাকলে শুটিংয়ের আগে ঋদ্ধির সঙ্গে বসে স্ক্রিপ্ট পড়তাম।’

ছবিতে প্রসেনজিতের চরিত্রটি কেবল পেশাগত পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে মিশে আছে মধ্যবিত্ত মানসিকতা, নিজস্ব বিশ্বাস ও আদর্শ। চরিত্রটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছবিটিতে বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনের পরিচিত আবহ এবং শিকড়ের কাছাকাছি থাকা বাঙালিয়ানা রয়েছে। চরিত্রটি পরিচিত মনে হলেও এমন চরিত্র আগে করা হয়নি।’

সংবাদ প্রতিদিন–এর সঙ্গে আলাপকালে প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ‘আমি আবেগপ্রবণ মানুষ এবং অতীতের সঙ্গে যুক্ত শিকড়কে আঁকড়ে থাকতে ভালোবাসি। সিনেমাটি সেই শিকড়ের গল্প বলতে চেয়েছে। আমার জীবনেও এমন একাধিক ডাক্তার কাকু দেখেছি। তাই চরিত্রটির কথা শুনে রাজি না হয়ে পারিনি।’ উল্লেখ্য, সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেলেও এর নির্মাণপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল করোনা মহামারির আগে। দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল। সিনেমাটিতে ঋদ্ধি সেন ও প্রসেনজিতের পাশাপাশি এনা সাহাও রয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo