ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ২০ টাকা বাড়ানোর বিকল্প যেখানে ছিল মহেশখালীতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবক নিহত গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকে কীভাবে: প্রশ্ন টিআইবির ভিয়েতনামি কালো ধানে বোচাগঞ্জে নতুন স্বপ্নের পথে রকিবুল বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা তুলে ধরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানিতে এখনো পিছিয়ে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসে আবারও সোনা জিতল ভারতের মেয়েরা রেফারি মন্তব্যে শাস্তি থেকে বাঁচলেন রিয়াল কোচ মরিনিও নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল হবে: সড়কমন্ত্রী শাহজালাল মাজারের দানের টাকা এখন থেকে প্রতিদিন গণনা করা হবে

লতা মঙ্গেশকরের কোলে সেই শিশুটি কে, জানালেন সংগীতশিল্পী আলিফ আলাউদ্দীন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



লতা মঙ্গেশকরের কোলে বসে থাকা ছোট্ট শিশুটি আর কেউ নন, তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আলিফ আলাউদ্দীন। কিংবদন্তি এই শিল্পীর সান্নিধ্য পাওয়ার দুর্লভ সুযোগটি আলিফ পেয়েছিলেন মাত্র ৯ বছর বয়সে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি প্রকাশের পর থেকেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে সেই স্মরণীয় মুহূর্তের স্মৃতি।

ঘটনাটি নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকের। আনুমানিক ১৯৯০ কিংবা ১৯৯১ সালে কলকাতার ৪০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতা স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন আলিফ। সেই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবা প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলী। সে সময় কলকাতার গ্র্যান্ড ওবেরয় হোটেলে অবস্থান করছিলেন তাঁরা।

আলিফ আলাউদ্দীন জানান, সেই হোটেলে রুনা লায়লার মাধ্যমে লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছিল তাঁদের। সেই সাক্ষাতের মুহূর্তটি ছিল প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের। আলিফের মা সংগীতশিল্পী সালমা সুলতানা ছিলেন লতা মঙ্গেশকরের বড় ভক্ত, তাই মায়ের উৎসাহেই সেই সাক্ষাৎটি ঘটেছিল। আলিফের মনে আছে, লতা মঙ্গেশকর নিজ থেকেই তাঁকে আদর করে পাশে বসিয়েছিলেন এবং ছবি তোলার সময় পরম মমতায় ধরে রেখেছিলেন।

সেই অনুষ্ঠানে লতা মঙ্গেশকর, রুনা লায়লা ও ভূপেন হাজারিকা সংগীত পরিবেশন করেছিলেন। আলিফের বাবা আলাউদ্দীন আলীও রুনা লায়লার সঙ্গে সংগীত পরিবেশনায় অংশ নিয়েছিলেন। আলিফ বলেন, লতা মঙ্গেশকরের মতো ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য পাওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম মূল্যবান স্মৃতি। বয়সের কারণে তখন হয়তো সেই মুহূর্তের বিশালতা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেননি, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রাপ্তির গুরুত্ব তিনি গভীরভাবে বুঝতে পেরেছেন।

ছবিটি দীর্ঘদিন অ্যালবামে সংরক্ষিত ছিল। সম্প্রতি আলিফের স্বামী কাজী ফয়সাল আহমেদ ছবিটি স্ক্যান করার পর তিনি তা ফেসবুকে প্রকাশ করেন। ছবিটি প্রকাশের পর মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তাঁকে নতুন করে সেই শৈশবের দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। লতা মঙ্গেশকরের প্রতি তাঁর বাবা-মায়ের যে গভীর শ্রদ্ধা ছিল, সেটিও আজও তাঁর স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে আছে বলে জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

লতা মঙ্গেশকরের কোলে সেই শিশুটি কে, জানালেন সংগীতশিল্পী আলিফ আলাউদ্দীন

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লতা মঙ্গেশকরের কোলে বসে থাকা ছোট্ট শিশুটি আর কেউ নন, তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আলিফ আলাউদ্দীন। কিংবদন্তি এই শিল্পীর সান্নিধ্য পাওয়ার দুর্লভ সুযোগটি আলিফ পেয়েছিলেন মাত্র ৯ বছর বয়সে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি প্রকাশের পর থেকেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে সেই স্মরণীয় মুহূর্তের স্মৃতি।

ঘটনাটি নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকের। আনুমানিক ১৯৯০ কিংবা ১৯৯১ সালে কলকাতার ৪০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতা স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন আলিফ। সেই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবা প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলী। সে সময় কলকাতার গ্র্যান্ড ওবেরয় হোটেলে অবস্থান করছিলেন তাঁরা।

আলিফ আলাউদ্দীন জানান, সেই হোটেলে রুনা লায়লার মাধ্যমে লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছিল তাঁদের। সেই সাক্ষাতের মুহূর্তটি ছিল প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের। আলিফের মা সংগীতশিল্পী সালমা সুলতানা ছিলেন লতা মঙ্গেশকরের বড় ভক্ত, তাই মায়ের উৎসাহেই সেই সাক্ষাৎটি ঘটেছিল। আলিফের মনে আছে, লতা মঙ্গেশকর নিজ থেকেই তাঁকে আদর করে পাশে বসিয়েছিলেন এবং ছবি তোলার সময় পরম মমতায় ধরে রেখেছিলেন।

সেই অনুষ্ঠানে লতা মঙ্গেশকর, রুনা লায়লা ও ভূপেন হাজারিকা সংগীত পরিবেশন করেছিলেন। আলিফের বাবা আলাউদ্দীন আলীও রুনা লায়লার সঙ্গে সংগীত পরিবেশনায় অংশ নিয়েছিলেন। আলিফ বলেন, লতা মঙ্গেশকরের মতো ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য পাওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম মূল্যবান স্মৃতি। বয়সের কারণে তখন হয়তো সেই মুহূর্তের বিশালতা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেননি, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রাপ্তির গুরুত্ব তিনি গভীরভাবে বুঝতে পেরেছেন।

ছবিটি দীর্ঘদিন অ্যালবামে সংরক্ষিত ছিল। সম্প্রতি আলিফের স্বামী কাজী ফয়সাল আহমেদ ছবিটি স্ক্যান করার পর তিনি তা ফেসবুকে প্রকাশ করেন। ছবিটি প্রকাশের পর মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তাঁকে নতুন করে সেই শৈশবের দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। লতা মঙ্গেশকরের প্রতি তাঁর বাবা-মায়ের যে গভীর শ্রদ্ধা ছিল, সেটিও আজও তাঁর স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে আছে বলে জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo