ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চলবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
- আপডেট সময় : ০৫:১৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার শেওড়াপাড়ায় সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে আহত সময় টিভির সাংবাদিক সিফাতকে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ফুটপাত ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ফুটপাত দখলের এই সমস্যা পাঁচ-ছয় মাসের নয়, বরং বহু বছর ধরে ধীরে ধীরে বিস্তৃত হয়েছে, যা নাগরিকদের স্বাভাবিক হাঁটার অধিকার বাধাগ্রস্ত করছে।
অভিযানের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে তিনি বলেন, 'গতকালও আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, আজও বলছি—ফুটপাত দখলমুক্ত করার এই অভিযান চলমান থাকবে। যতদিন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সফলতা না আসবে, ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।' তিনি জানান, এবার কেবল ফুটপাত পরিষ্কার নয়, বরং তা স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখার চেষ্টা করা হবে। যদি কেউ পুনরায় ফুটপাত দখল করে বসার চেষ্টা করে, তবে আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সাংবাদিক আহত হওয়ার ঘটনার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। মাথায় আঘাত পাওয়ার পরও আহত সাংবাদিক সিফাত ঘটনাস্থলে ফিরে সংবাদ সংগ্রহ করায় তার প্রতি সহানুভূতি জানান তিনি। পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি অভিযানের আগে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে পুলিশকে চিঠি দেওয়া হয় এবং অভিযানে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিতও থাকেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পুলিশ সদস্য থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতো।
সিটি করপোরেশনের নিজস্ব এখতিয়ারের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনি আসন বিবেচনায় না নিয়েই তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা সিটি করপোরেশনের রয়েছে। নিজের ওপর কোনো চাপ প্রয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। আমাকে চাপ প্রয়োগ করার কোনো ক্ষমতা কারও নেই। আমার সংস্থা, আমার বিভাগ—আমি সেটা পরিচালনা করব।'
তিনি আরও জানান, ডিএনসিসির আওতাধীন মোহাম্মদপুর, উত্তরা, তেজগাঁও ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এই কার্যক্রমে তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেছেন।





























