ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সৌদি আরবে সেনা পাঠাতে সম্মত তুরস্ক ও পাকিস্তান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হামলা মোকাবিলায় দেশটিতে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। সোমবার দেশ তিনটির পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হন, যেখানে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, মক্কা চুক্তি বা ত্রিদেশীয় ন্যাটো হিসেবে পরিচিত এই জোটের আওতায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দ্রুতই এই সেনাদল মোতায়েন করা হবে।

গত ৮ আগস্ট মক্কা প্রতিরক্ষা জোট গঠিত হওয়ার পর এটিই জোটটির প্রথম সক্রিয় পদক্ষেপ। ন্যাটোর আদলে তৈরি এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, জোটভুক্ত কোনো দেশ আক্রমণের শিকার হলে তা সকল সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীর কাছাকাছি হুতিদের ড্রোন হামলা এবং রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনায় ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক পৃথক যৌথ বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এবং হামলা প্রতিরোধে দ্রুতই তিন দেশের সেনাবাহিনী ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সৌদি আরবে সেনা পাঠাতে সম্মত তুরস্ক ও পাকিস্তান

আপডেট সময় : ১০:২৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হামলা মোকাবিলায় দেশটিতে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। সোমবার দেশ তিনটির পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হন, যেখানে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, মক্কা চুক্তি বা ত্রিদেশীয় ন্যাটো হিসেবে পরিচিত এই জোটের আওতায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দ্রুতই এই সেনাদল মোতায়েন করা হবে।

গত ৮ আগস্ট মক্কা প্রতিরক্ষা জোট গঠিত হওয়ার পর এটিই জোটটির প্রথম সক্রিয় পদক্ষেপ। ন্যাটোর আদলে তৈরি এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, জোটভুক্ত কোনো দেশ আক্রমণের শিকার হলে তা সকল সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীর কাছাকাছি হুতিদের ড্রোন হামলা এবং রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনায় ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক পৃথক যৌথ বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এবং হামলা প্রতিরোধে দ্রুতই তিন দেশের সেনাবাহিনী ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin