ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে চার দিনে ৪১ চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের যৌথ সামরিক শক্তি কত? পঞ্চগড়ে সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা গ্রেপ্তার সৌদি আরবে ফেনীর প্রবাসী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই রাজ্যের নাম হবে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ মনুমেন্তাল ও মেসির ভালোবাসার গল্প: শেষবারের মতো নামছেন জাদুকর ভারতের ছয় আসনে উপনির্বাচন, চলছে ভোটগ্রহণ আবারও ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক, বাড়ল টেসলা-স্পেসএক্সের শেয়ারের দর দেশে নিয়ন্ত্রণহীন অনলাইন জুয়ার ৮ হাব, মাস্টারমাইন্ডরা বিদেশে দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীদের টানা পাঁচ দিনের ছুটি

ব্যায়াম কি সত্যিই শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়?

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সারাদিন ক্লান্তি, অবসাদ বা অলসভাব থাকলে অনেকেরই মনে হতে পারে যে, শরীর দুর্বল অবস্থায় ব্যায়াম করলে ক্লান্তি আরও বাড়বে। তবে গবেষণা অনুযায়ী, নিয়মিত ও পরিমিত শারীরিক কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে ক্লান্তি কমাতে, মেজাজ ভালো রাখতে এবং দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। শারীরিক চর্চার সময় শরীরে রক্তসঞ্চালন ও অক্সিজেন পরিবহন বৃদ্ধি পায়, যার ফলে কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেস ও পেশির কার্যক্ষমতা উন্নত হয়। এর ফলে দৈনন্দিন কাজ করার সময় শরীর তুলনামূলকভাবে কম পরিশ্রান্ত বোধ করে।

ব্যায়ামের অন্যান্য সুফলের মধ্যে রয়েছে ঘুমের মান উন্নয়ন এবং মানসিক চাপ ও উদ্বেগের উপসর্গ কমানো, যা পরোক্ষভাবে দিনের বেলায় কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে ক্লান্তি থাকলেই যে কঠোর ব্যায়াম করতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। অপর্যাপ্ত খাবার, পানি ও বিশ্রাম ছাড়া অতিরিক্ত বা দীর্ঘ সময়ের উচ্চমাত্রার ব্যায়াম উল্টো অবসাদ বা ফ্যাটিগ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই যারা শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয়, তাদের জন্য স্বল্প সময়ের হাঁটা, হালকা মোবিলিটি এক্সারসাইজ বা কম থেকে মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক অ্যাক্টিভিটি দিয়ে শুরু করা নিরাপদ। সক্ষমতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে ব্যায়ামের সময় ও তীব্রতা বাড়ানোই উত্তম পদ্ধতি।

ফিটনেস পুষ্টিবিদ রাইসা মেহজাবীন জানান, দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক ক্লান্তি থাকলে ব্যায়ামই একমাত্র সমাধান নয়। রক্তস্বল্পতা, আয়রনের ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা, পুষ্টির অভাব বা ঘুমের সমস্যার মতো শারীরিক কারণও এর পেছনে থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কারণ নির্ণয় করা জরুরি। পরিশেষে, ব্যায়াম কেবল ক্যালরি পোড়ানোর মাধ্যম নয়; সঠিক নিয়মে করা শারীরিক কার্যক্রম শরীরের কর্মক্ষমতা, ঘুম ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করে। তবে ব্যায়ামের পূর্ণ সুফল পেতে পর্যাপ্ত পুষ্টি, পানি, ঘুম এবং রিকভারি নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যায়াম কি সত্যিই শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়?

আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

সারাদিন ক্লান্তি, অবসাদ বা অলসভাব থাকলে অনেকেরই মনে হতে পারে যে, শরীর দুর্বল অবস্থায় ব্যায়াম করলে ক্লান্তি আরও বাড়বে। তবে গবেষণা অনুযায়ী, নিয়মিত ও পরিমিত শারীরিক কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে ক্লান্তি কমাতে, মেজাজ ভালো রাখতে এবং দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। শারীরিক চর্চার সময় শরীরে রক্তসঞ্চালন ও অক্সিজেন পরিবহন বৃদ্ধি পায়, যার ফলে কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেস ও পেশির কার্যক্ষমতা উন্নত হয়। এর ফলে দৈনন্দিন কাজ করার সময় শরীর তুলনামূলকভাবে কম পরিশ্রান্ত বোধ করে।

ব্যায়ামের অন্যান্য সুফলের মধ্যে রয়েছে ঘুমের মান উন্নয়ন এবং মানসিক চাপ ও উদ্বেগের উপসর্গ কমানো, যা পরোক্ষভাবে দিনের বেলায় কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে ক্লান্তি থাকলেই যে কঠোর ব্যায়াম করতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। অপর্যাপ্ত খাবার, পানি ও বিশ্রাম ছাড়া অতিরিক্ত বা দীর্ঘ সময়ের উচ্চমাত্রার ব্যায়াম উল্টো অবসাদ বা ফ্যাটিগ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই যারা শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয়, তাদের জন্য স্বল্প সময়ের হাঁটা, হালকা মোবিলিটি এক্সারসাইজ বা কম থেকে মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক অ্যাক্টিভিটি দিয়ে শুরু করা নিরাপদ। সক্ষমতা অনুযায়ী ধীরে ধীরে ব্যায়ামের সময় ও তীব্রতা বাড়ানোই উত্তম পদ্ধতি।

ফিটনেস পুষ্টিবিদ রাইসা মেহজাবীন জানান, দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক ক্লান্তি থাকলে ব্যায়ামই একমাত্র সমাধান নয়। রক্তস্বল্পতা, আয়রনের ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা, পুষ্টির অভাব বা ঘুমের সমস্যার মতো শারীরিক কারণও এর পেছনে থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কারণ নির্ণয় করা জরুরি। পরিশেষে, ব্যায়াম কেবল ক্যালরি পোড়ানোর মাধ্যম নয়; সঠিক নিয়মে করা শারীরিক কার্যক্রম শরীরের কর্মক্ষমতা, ঘুম ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করে। তবে ব্যায়ামের পূর্ণ সুফল পেতে পর্যাপ্ত পুষ্টি, পানি, ঘুম এবং রিকভারি নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh