ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

২২ দিন মেঘনায় মাছ ধরা বন্ধ, ৪২ হাজার জেলে পাবেন চাল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে আগামী বুধবার মধ্যরাত থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ২২ দিনব্যাপী এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে নদী ও উপকূলীয় এলাকায় ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ এবং মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার লক্ষে মৎস্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জেলেদের আইন মেনে চলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার এই ২২ দিনে নিবন্ধিত জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হবে। লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় মোট ৫৪ হাজার নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ হাজার ১৫০ জন জেলেকে এই কর্মসূচির আওতায় ১৫৩ টন চাল দেওয়া হবে, যেখানে জনপ্রতি ২৫ কেজি চাল বরাদ্দ রয়েছে। বাকি ১১ হাজার ৮৫০ জন জেলেকে পর্যায়ক্রমে সহায়তার আওতায় আনার কথা জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।

তবে জেলেদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে যে, নিবন্ধিত জেলের তুলনায় সরকারি খাদ্য সহায়তার পরিমাণ কম। তারা সঠিক তালিকা যাচাই করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সব জেলেকে সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে নদীতে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে কেউ নদীতে মাছ ধরতে নামলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

২২ দিন মেঘনায় মাছ ধরা বন্ধ, ৪২ হাজার জেলে পাবেন চাল

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে আগামী বুধবার মধ্যরাত থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ২২ দিনব্যাপী এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে নদী ও উপকূলীয় এলাকায় ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ এবং মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার লক্ষে মৎস্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জেলেদের আইন মেনে চলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার এই ২২ দিনে নিবন্ধিত জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হবে। লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় মোট ৫৪ হাজার নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ হাজার ১৫০ জন জেলেকে এই কর্মসূচির আওতায় ১৫৩ টন চাল দেওয়া হবে, যেখানে জনপ্রতি ২৫ কেজি চাল বরাদ্দ রয়েছে। বাকি ১১ হাজার ৮৫০ জন জেলেকে পর্যায়ক্রমে সহায়তার আওতায় আনার কথা জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।

তবে জেলেদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে যে, নিবন্ধিত জেলের তুলনায় সরকারি খাদ্য সহায়তার পরিমাণ কম। তারা সঠিক তালিকা যাচাই করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সব জেলেকে সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে নদীতে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে কেউ নদীতে মাছ ধরতে নামলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din