আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রত্যয়ন: বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত
- আপডেট সময় : ১০:০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় কারাবন্দি বরাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদককে মুক্ত করতে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন বরাইদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন। জেলা বিএনপির মুখপাত্র ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নূরতাজ আলম বাহার স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দায়িত্বশীল পদে থেকে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিক, নীতিবিবর্জিত ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। এ বিষয়ে বরাইদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার কল করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
জেলা বিএনপির মুখপাত্র নূরতাজ আলম বাহার বলেন, যারা দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে এবং আওয়ামী লীগের দোসরদের সঙ্গে আঁতাত করবে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই ঘটনায় বরাইদ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মল্লিককেও কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে উপজেলা যুবদল। গত ২ অক্টোবর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ হোসেন স্বাক্ষরিত ওই নোটিসে কেন তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না, তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে এই ঘটনায় জেলা তাঁতি দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ও উপজেলা তাঁতি দলের সভাপতি বাবুল হোসেনের পদও স্থগিত করা হয়েছে। গত ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, নাশকতার পরিকল্পনা ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন রুবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন ২৩ সেপ্টেম্বর সাটুরিয়া উপজেলা তাঁতি দলের সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন নিজেকে সভাপতি পরিচয় দিয়ে রুহুল আমিন রুবেলকে বিএনপির ‘সংগ্রামী সদস্য’ হিসেবে উল্লেখ করে মুক্তির জন্য প্রত্যয়নপত্র দেন। এর ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর বরাইদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন ও ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান যৌথভাবে আরেকটি প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করেন।





























