ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা রুখল বনরক্ষীরা মিয়ানমার ও ভারত সীমান্ত অঞ্চলে তিন ভূমিকম্প, কাঁপল বাংলাদেশ গোমস্তাপুরে কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে মাছ ধরার বোটে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও আলতাফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘দেশ স্বাধীন হবেই’ সরবরাহ কমিয়ে বোতলজাত সয়াবিনের কৃত্রিম সংকট, বাজারে বাড়তি দাম মানুষ কষ্টে আছে, দেশে নিরাপত্তা নেই: জামায়াত আমীর নেশনস লিগে স্পেনের টানা তৃতীয় জয়, আবারও ঝলক ইয়ামালের চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ ব্যর্থ: চাঁদাবাজি ও ভুল পরিকল্পনায় জিম্মি সড়ক

লিভার প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৬০ লাখ টাকা, বিপাকে ৬ মাসের ওয়াফা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মাত্র ৬ মাস বয়সী শিশু মেহেভীন ইবনাত ওয়াফা বর্তমানে এক কঠিন জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জন্মের পর থেকে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার পরিবর্তে সে এখন লিভারের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ধুঁকছে। তার শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পেটও ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাচ্ছে।

ওয়াফার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ঢাকা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশুরোগ, পুষ্টি, লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মো. রোকুনুজ্জামান জানিয়েছেন, শিশুটিকে বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। এর আগে কুমিল্লার লাকসাম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. শিমুল মজুমদার তার শরীরে বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া রোগ শনাক্ত করে তাকে প্রফেসর ডা. রোকুনুজ্জামানের কাছে রেফার করেছিলেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চললেও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওয়াফাকে বাঁচাতে তাকে ভারতে নিয়ে লিভার প্রতিস্থাপন করাতে হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা খরচের প্রয়োজন। মেয়ের চিকিৎসার জন্য পরিবারটি ইতিমধ্যে তাদের জমানো অর্থ ও ঋণের টাকা বড় অংশ ব্যয় করে ফেলেছে। বর্তমানে নতুন করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

ওয়াফার বাবা মহাসিন নাঙ্গলকোট উপজেলার উত্তর রায়কোট ইউনিয়নের চারজানিয়া গ্রামের পেয়ার আহমেদের ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকট কাটাতে তিনি কিছুদিন আগে দুবাই পাড়ি জমিয়েছেন। অন্যদিকে ওয়াফার মা মরিয়ম আক্তার প্রীতি একজন গৃহিণী। সন্তানের চিকিৎসার জন্য তিনি নিজের লিভারের অংশ দিতেও প্রস্তুত রয়েছেন।

মরিয়ম আক্তার প্রীতি বলেন, সন্তানকে বাঁচাতে আমি নিজের লিভারের অংশ দিতে চাই। চিকিৎসকরা বলেছেন লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে, কিন্তু এত টাকা জোগাড় করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। তিনি বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে তার সন্তানকে বাঁচাতে সামান্য সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

লিভার প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৬০ লাখ টাকা, বিপাকে ৬ মাসের ওয়াফা

আপডেট সময় : ০৬:৫০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

মাত্র ৬ মাস বয়সী শিশু মেহেভীন ইবনাত ওয়াফা বর্তমানে এক কঠিন জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জন্মের পর থেকে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার পরিবর্তে সে এখন লিভারের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ধুঁকছে। তার শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পেটও ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাচ্ছে।

ওয়াফার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ঢাকা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশুরোগ, পুষ্টি, লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মো. রোকুনুজ্জামান জানিয়েছেন, শিশুটিকে বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। এর আগে কুমিল্লার লাকসাম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. শিমুল মজুমদার তার শরীরে বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া রোগ শনাক্ত করে তাকে প্রফেসর ডা. রোকুনুজ্জামানের কাছে রেফার করেছিলেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চললেও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওয়াফাকে বাঁচাতে তাকে ভারতে নিয়ে লিভার প্রতিস্থাপন করাতে হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা খরচের প্রয়োজন। মেয়ের চিকিৎসার জন্য পরিবারটি ইতিমধ্যে তাদের জমানো অর্থ ও ঋণের টাকা বড় অংশ ব্যয় করে ফেলেছে। বর্তমানে নতুন করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

ওয়াফার বাবা মহাসিন নাঙ্গলকোট উপজেলার উত্তর রায়কোট ইউনিয়নের চারজানিয়া গ্রামের পেয়ার আহমেদের ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকট কাটাতে তিনি কিছুদিন আগে দুবাই পাড়ি জমিয়েছেন। অন্যদিকে ওয়াফার মা মরিয়ম আক্তার প্রীতি একজন গৃহিণী। সন্তানের চিকিৎসার জন্য তিনি নিজের লিভারের অংশ দিতেও প্রস্তুত রয়েছেন।

মরিয়ম আক্তার প্রীতি বলেন, সন্তানকে বাঁচাতে আমি নিজের লিভারের অংশ দিতে চাই। চিকিৎসকরা বলেছেন লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে, কিন্তু এত টাকা জোগাড় করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। তিনি বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে তার সন্তানকে বাঁচাতে সামান্য সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh