ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকায় চাঁদপুর জেলা বিসিএস অফিসার্স ফোরামের নতুন কমিটি গঠন পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় দুই নারী অ্যাথলেট আজীবন নিষিদ্ধ, পদক বাতিল প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে ময়লার ভাগাড়ে বালুর প্রলেপ বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করব, জামায়াতকে নুরের হুঁশিয়ারি ভারতে আ.লীগ নেতাদের মধ্যে তীব্র অন্তর্দ্বন্দ্ব: প্রকাশ্যে ক্ষোভ স্বাধীনতা দিবসে জেন-জি প্রজন্মকে বিশেষ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বিদ্যুতের কষ্টের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা, সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত নীলফামারী, ব্যাহত কৃষি ও শিল্প উৎপাদন পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসক প্রত্যাহার, মূল দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস কেন শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দুশ্চিন্তা, একঘেয়েমি বা কোনো কাজে গভীরভাবে মনোযোগ দেওয়ার সময় অনেকেরই অজান্তে দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস তৈরি হয়। ছোট থেকে বড়—সব বয়সীদের মধ্যেই এই প্রবণতা দেখা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অভ্যাসকে বলা হয় 'অনিকোফ্যাগিয়া'। আপাতদৃষ্টিতে এটি সাধারণ একটি বিষয় মনে হলেও, বিশেষজ্ঞের মতে এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের একাডেমি অব ডার্মাটোলজির সদস্য এবং ওয়েইল কর্নেল মেডিকেল কলেজের নখরোগ বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড শের সতর্ক করে বলেছেন, নখ কামড়ানোর অভ্যাস স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি জানান, নখের নিচে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর জীবাণু জমে থাকে। এর মধ্যে এন্টারোব্যাকটেরিয়াসি পরিবারের ব্যাকটেরিয়া, যেমন ই. কোলাই এবং সালমোনেলার মতো জীবাণু অন্তর্ভুক্ত। দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় এসব জীবাণু মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে পরিপাকতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর ফলে পেটব্যথা ও ডায়রিয়ার মতো শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়া সম্ভব।

দীর্ঘদিন ধরে এই অভ্যাস বজায় রাখলে আঙুলের চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চামড়া ফেটে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার কারণে সেই স্থান দিয়ে ব্যাকটেরিয়া ও ইস্ট সহজেই প্রবেশ করতে পারে। এতে নখের চারপাশে লালচে ভাব, ফোলা এবং পুঁজ জমার মতো সংক্রমণ হতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে 'প্যারোনিচিয়া' বলা হয়।

সংক্রমণ গুরুতর আকার ধারণ করলে আঙুলের ডগায় তীব্র ব্যথা ও সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের প্রয়োজন পড়ে। এমনকি সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে অস্ত্রোপচারেরও দরকার হতে পারে। তাই সম্ভাব্য সব ঝুঁকি এড়াতে এই অভ্যাস দ্রুত বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস কেন শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

দুশ্চিন্তা, একঘেয়েমি বা কোনো কাজে গভীরভাবে মনোযোগ দেওয়ার সময় অনেকেরই অজান্তে দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস তৈরি হয়। ছোট থেকে বড়—সব বয়সীদের মধ্যেই এই প্রবণতা দেখা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অভ্যাসকে বলা হয় 'অনিকোফ্যাগিয়া'। আপাতদৃষ্টিতে এটি সাধারণ একটি বিষয় মনে হলেও, বিশেষজ্ঞের মতে এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের একাডেমি অব ডার্মাটোলজির সদস্য এবং ওয়েইল কর্নেল মেডিকেল কলেজের নখরোগ বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড শের সতর্ক করে বলেছেন, নখ কামড়ানোর অভ্যাস স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি জানান, নখের নিচে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর জীবাণু জমে থাকে। এর মধ্যে এন্টারোব্যাকটেরিয়াসি পরিবারের ব্যাকটেরিয়া, যেমন ই. কোলাই এবং সালমোনেলার মতো জীবাণু অন্তর্ভুক্ত। দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় এসব জীবাণু মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে পরিপাকতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর ফলে পেটব্যথা ও ডায়রিয়ার মতো শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়া সম্ভব।

দীর্ঘদিন ধরে এই অভ্যাস বজায় রাখলে আঙুলের চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চামড়া ফেটে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার কারণে সেই স্থান দিয়ে ব্যাকটেরিয়া ও ইস্ট সহজেই প্রবেশ করতে পারে। এতে নখের চারপাশে লালচে ভাব, ফোলা এবং পুঁজ জমার মতো সংক্রমণ হতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে 'প্যারোনিচিয়া' বলা হয়।

সংক্রমণ গুরুতর আকার ধারণ করলে আঙুলের ডগায় তীব্র ব্যথা ও সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের প্রয়োজন পড়ে। এমনকি সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে অস্ত্রোপচারেরও দরকার হতে পারে। তাই সম্ভাব্য সব ঝুঁকি এড়াতে এই অভ্যাস দ্রুত বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor