এমপি বিথীকা বিনতে হোসেনকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ
- আপডেট সময় : ০২:০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিথীকা বিনতে হোসেনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনির মাধ্যমে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে বিথীকা বিনতে হোসেনকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তার অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করতে অথবা অভিযোগ প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের একজন পরিচিত জননেতা এবং সততা ও নৈতিকতার জন্য সমাদৃত। তিনি ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি একটি প্রকাশ্য সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে বিথীকা বিনতে হোসেন অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক হিসেবে তার নিয়োগ সহজতর করার বিনিময়ে আসিফ মাহমুদ তার কাছে ৩ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। এই অভিযোগটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমসহ ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত, পেশাগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে নোটিশে দাবি করা হয়।
নোটিশের ভাষ্যমতে, অভিযোগটি প্রকাশের পর ৪ আগস্ট আসিফ মাহমুদের প্রতিনিধিরা বিথীকা বিনতে হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে তার কাছে প্রমাণ, নথি বা অডিও-ভিডিও উপস্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তিনি প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য বা নথি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এতে অভিযোগটি ভিত্তিহীন, মনগড়া ও বিদ্বেষপ্রসূত বলে প্রতীয়মান হয়েছে। নোটিশে সতর্ক করে বলা হয়েছে, মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্যের কারণে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে দেওয়ানি ও ফৌজদারি দায় সৃষ্টি হতে পারে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে প্রচলিত আইনে উপযুক্ত মামলা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, আসিফ মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইনি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে স্বার্থান্বেষী মহল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তিনি বলেন, গত দুই বছরে নানা অপবাদ দেওয়া হলেও কেউ কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারেনি। আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, এই ধারাবাহিক অপপ্রচার কেবল তার ব্যক্তিগত নয়, বরং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব, চেতনা ও অর্জনকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার অংশ। এখন থেকে প্রতিটি মিথ্যাচারের জবাব আইনের মাধ্যমেই দেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।



























