ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জার্মানি থেকে ভারতে ধ্রুব রাঠি: মোদি সরকারের নতুন মাথাব্যথা? মধ্যপ্রাচ্য ও ব্রিটেন থেকে পিছু হটছে মার্কিন সামরিক বাহিনী আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভারে মুমূর্ষু শিশু, উদ্ধার করে হাসপাতালে নিল পুলিশ চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন শুক্রবার সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অর্থাভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত শয্যাশায়ী কিশোর তানজিল শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি ঠেকাতে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান আইসিটি মন্ত্রীর আফগানিস্তান সিরিজের জন্য বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় যবিপ্রবির ১১ বিজ্ঞানী ১৮ বছরে ৪০ লাখ কোটি টাকা লুটে দেশ ভঙ্গুর করা হয়েছে: আহমেদ আযম খান আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

মতিঝিলের ভবন দখল: গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ ও সাংবাদিকদের অবরুদ্ধের ঘটনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



‘সেই আলোচিত ভবনটি এখন একজন প্রতিমন্ত্রীর কব্জায়’- শিরোনামে মানবজমিন-এর প্রথম পাতায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলটির দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে, ভবন দখলে দলের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের সংশ্লিষ্টতার যে তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তা অসত্য। তবে দলটির পক্ষ থেকে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

মানবজমিন-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভবনটির অধিকাংশ অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন যুবঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক সারোয়ার সানি। দলটির সভাপতি নুরুল হক নুরের সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে, যা মানবজমিন-এর হাতে এসেছে। এছাড়া ভবন দখল সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণও তাদের কাছে রয়েছে। বৃহস্পতিবার নুরুল হক নুর নিজেই মানবজমিনকে জানিয়েছিলেন যে, সারোয়ার সানিকে বহিষ্কার করা হচ্ছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে বহিষ্কারের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ভবনের বৈধ মালিকপক্ষের দাবি, ১৯৮০ সালে উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে তারা ভবনটির দখল বুঝে পেয়েছিলেন। এর আগে ভবনটি সিলগালা অবস্থায় ছিল। মালিকপক্ষ একাধিকবার নুরুল হক নুরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভবনটির দখল ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও তিনি তাতে সাড়া দেননি।

মতিঝিলের ৮১ নম্বর ভবনের দখল সংক্রান্ত খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে গত বুধবার মানবজমিন-এর তিন সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। রিয়েল টাইম নিউজ নেটওয়ার্কের (আরটিএনএন) মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, তারা ভবনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে চারজন ব্যক্তি নিচে নেমে গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। সেখানে তাদের প্রায় ২০ মিনিট অবরুদ্ধ করে রাখা হয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। বাইরে থাকা ব্যক্তিদের একজন কোনো এক রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে থাকা এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর সাংবাদিকরা মুক্তি পান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

মতিঝিলের ভবন দখল: গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ ও সাংবাদিকদের অবরুদ্ধের ঘটনা

আপডেট সময় : ১২:৪০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

‘সেই আলোচিত ভবনটি এখন একজন প্রতিমন্ত্রীর কব্জায়’- শিরোনামে মানবজমিন-এর প্রথম পাতায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলটির দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে, ভবন দখলে দলের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের সংশ্লিষ্টতার যে তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তা অসত্য। তবে দলটির পক্ষ থেকে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

মানবজমিন-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভবনটির অধিকাংশ অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন যুবঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক সারোয়ার সানি। দলটির সভাপতি নুরুল হক নুরের সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে, যা মানবজমিন-এর হাতে এসেছে। এছাড়া ভবন দখল সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণও তাদের কাছে রয়েছে। বৃহস্পতিবার নুরুল হক নুর নিজেই মানবজমিনকে জানিয়েছিলেন যে, সারোয়ার সানিকে বহিষ্কার করা হচ্ছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে বহিষ্কারের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ভবনের বৈধ মালিকপক্ষের দাবি, ১৯৮০ সালে উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে তারা ভবনটির দখল বুঝে পেয়েছিলেন। এর আগে ভবনটি সিলগালা অবস্থায় ছিল। মালিকপক্ষ একাধিকবার নুরুল হক নুরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভবনটির দখল ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও তিনি তাতে সাড়া দেননি।

মতিঝিলের ৮১ নম্বর ভবনের দখল সংক্রান্ত খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে গত বুধবার মানবজমিন-এর তিন সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। রিয়েল টাইম নিউজ নেটওয়ার্কের (আরটিএনএন) মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, তারা ভবনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে চারজন ব্যক্তি নিচে নেমে গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। সেখানে তাদের প্রায় ২০ মিনিট অবরুদ্ধ করে রাখা হয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। বাইরে থাকা ব্যক্তিদের একজন কোনো এক রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে থাকা এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর সাংবাদিকরা মুক্তি পান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin