ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপসায় ছেলের পর এবার বাবাকেও গুলি করে হত্যা বিমানের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল, ১০ কর্মকর্তার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের প্রস্তুতি, যুক্ত হলো নতুন সুবিধা সৌদি আরবে আরামকোর স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি’র গণ-সমাবেশের ডাক, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা অবশেষে নিয়োগপত্র পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য সরকারি চাকরিজীবীদের অক্টোবরের বেতনের সঙ্গেই মিলবে ৩ মাসের বকেয়া নৌপথে যুক্তরাজ্যে আসা প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার: শাবানা মাহমুদ রাড্ডায় স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত: গর্ভবতী মায়েদের পাশে ডা. তাইফ ব্যবসা-বাণিজ্যে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রেসিডেন্টের

মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার: প্রধানমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শনিবার ‘বে অব বেঙ্গল কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অপরিহার্য এবং সরকার প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সুদৃঢ় করতে কাজ করে যাচ্ছে। আইনের শাসন প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করে তিনি জানান, এমন এক প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের সেবায় নিবেদিত থাকবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে একটি বড় বৈশ্বিক দায়িত্ব পালন করছে। মিয়ানমার থেকে আসা এই নাগরিকদের দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এই সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারে নিহিত, তাই এর সমাধানও মিয়ানমারেই হতে হবে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত রাজনৈতিক সমর্থন ও অর্থায়ন প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের সমুদ্রবন্দর, নৌপথ এবং উপকূলীয় অর্থনীতিকে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত করার সুযোগ তৈরি করেছে। জাহাজ চলাচল, মৎস্যসম্পদ, পর্যটন ও জ্বালানি খাতে এই অঞ্চলের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। তিনি বাণিজ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং জলবায়ু খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সংলাপ, অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাসী। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রেখে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলটি এমন একটি স্থানে পরিণত হবে যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র সমান সুবিধা নিয়ে একসাথে বিকশিত হবে এবং জনগণ অর্থবহ সহযোগিতার মাধ্যমে সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ায় তার যথাযথ ভূমিকা পালন করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:১৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

শনিবার ‘বে অব বেঙ্গল কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অপরিহার্য এবং সরকার প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সুদৃঢ় করতে কাজ করে যাচ্ছে। আইনের শাসন প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করে তিনি জানান, এমন এক প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের সেবায় নিবেদিত থাকবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে একটি বড় বৈশ্বিক দায়িত্ব পালন করছে। মিয়ানমার থেকে আসা এই নাগরিকদের দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এই সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারে নিহিত, তাই এর সমাধানও মিয়ানমারেই হতে হবে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত রাজনৈতিক সমর্থন ও অর্থায়ন প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের সমুদ্রবন্দর, নৌপথ এবং উপকূলীয় অর্থনীতিকে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত করার সুযোগ তৈরি করেছে। জাহাজ চলাচল, মৎস্যসম্পদ, পর্যটন ও জ্বালানি খাতে এই অঞ্চলের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। তিনি বাণিজ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং জলবায়ু খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সংলাপ, অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাসী। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রেখে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলটি এমন একটি স্থানে পরিণত হবে যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র সমান সুবিধা নিয়ে একসাথে বিকশিত হবে এবং জনগণ অর্থবহ সহযোগিতার মাধ্যমে সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ায় তার যথাযথ ভূমিকা পালন করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin