৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক, গবেষণায় এসডোর উদ্বেগ

- আপডেট সময় : ০৬:০১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের বাজারে সহজলভ্য ৩৪টি ব্র্যান্ডের টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে পরিবেশবিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর লালমাটিয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি তাদের এক বছরব্যাপী পরিচালিত গবেষণার এই ফলাফল প্রকাশ করে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে।
এসডোর এই গবেষণায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে দেশজুড়ে ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর একটি সমীক্ষাও পরিচালনা করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টি টুথপেস্টের মধ্যে ২২টিতে, ভারতে উৎপাদিত পাঁচটির মধ্যে একটিতে, থাইল্যান্ডের দুটি ব্র্যান্ডের মধ্যে একটিতে এবং ভিয়েতনামের দুটি ব্র্যান্ডের দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য তৈরি ছয়টি টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতেই ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।
গবেষণায় পাওয়া তথ্যানুসারে, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে ৩২০টি, ক্লোজ আপ রেড হট ও ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশে ১৬০টি, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টিতে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট ও হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ারে ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।
তবে আশার কথা হলো, দেশীয় ব্র্যান্ড জেনফ্রেশ, প্যারাস্যুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) ও ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জ টুথপেস্টেও ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়নি বলে এসডো জানিয়েছে।




























