ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে পুলিশ ক্যাম্পে পানিতে বিষ, অসুস্থ দুই পুলিশ সদস্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে ১৫৫টি সিসি ক্যামেরা দিল সিটি করপোরেশন ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮ জন পিরোজপুরের এলজিইডি প্রকল্পে রড ছাড়াই হাজার কোটি টাকা লুট চা শিল্পের বিকাশে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার ঘোষণা তারেক রহমানের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদে যৌথ অভিযান সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ শিশু নিবাস প্রকল্পে ৩৮৫ কোটি টাকার অনিয়ম: তদন্তের নির্দেশ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলা: প্রধান আসামির স্ত্রী সাহেদা পারভীনের জামিন নামঞ্জুর জয়পুরহাটের অতিরিক্ত এসপি আরিফের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ স্ত্রীর

শিশু নিবাস প্রকল্পে ৩৮৫ কোটি টাকার অনিয়ম: তদন্তের নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

৩৮৫ কোটি টাকার ‘সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর নড়েচড়ে বসেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরিকল্পনা বিভাগ থেকে জরুরি ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২৩ জুলাই সহকারী সচিব হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশের মাধ্যমে এই নির্দেশনা কার্যকর করা হয়।

এর আগে গত ১৫ জুন দৈনিক যুগান্তরে ‘এতিম ও বাবা-মায়ের স্নেহবঞ্চিত শিশু নিবাস ৩৮৫ কোটি টাকার প্রকল্পে বড় অনিয়ম’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে প্রকল্পের বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ৬৬ কোটি ৮২ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয়ের বিপরীতে কোনো বিল-ভাউচার না থাকা, ২১৭ কোটি টাকার অডিট আপত্তি, অদক্ষ ও অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজের দায়িত্ব প্রদান এবং কাজ না করেই বিল পরিশোধের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

পরিকল্পনা বিভাগের অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতিবেদনটি তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যদিও প্রাথমিক প্রতিবেদনে প্রকল্পের নাম সুনির্দিষ্ট ছিল না, তবে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, প্রকল্পটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটির ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২৯৬.৭১৯১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছর মেয়াদে এটি সর্বপ্রথম অনুমোদিত হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করা হয় এবং ব্যয় বৃদ্ধি করে ৩৮৫.২০৬৪ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ না হওয়ায় ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াই এর মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশু নিবাস প্রকল্পে ৩৮৫ কোটি টাকার অনিয়ম: তদন্তের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৭:০৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
print news

৩৮৫ কোটি টাকার ‘সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর নড়েচড়ে বসেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরিকল্পনা বিভাগ থেকে জরুরি ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২৩ জুলাই সহকারী সচিব হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশের মাধ্যমে এই নির্দেশনা কার্যকর করা হয়।

এর আগে গত ১৫ জুন দৈনিক যুগান্তরে ‘এতিম ও বাবা-মায়ের স্নেহবঞ্চিত শিশু নিবাস ৩৮৫ কোটি টাকার প্রকল্পে বড় অনিয়ম’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে প্রকল্পের বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ৬৬ কোটি ৮২ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয়ের বিপরীতে কোনো বিল-ভাউচার না থাকা, ২১৭ কোটি টাকার অডিট আপত্তি, অদক্ষ ও অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজের দায়িত্ব প্রদান এবং কাজ না করেই বিল পরিশোধের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

পরিকল্পনা বিভাগের অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতিবেদনটি তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যদিও প্রাথমিক প্রতিবেদনে প্রকল্পের নাম সুনির্দিষ্ট ছিল না, তবে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, প্রকল্পটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটির ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২৯৬.৭১৯১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছর মেয়াদে এটি সর্বপ্রথম অনুমোদিত হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করা হয় এবং ব্যয় বৃদ্ধি করে ৩৮৫.২০৬৪ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ না হওয়ায় ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াই এর মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor