ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে পৃথক দুটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। আজ রোববার ‘বাংলাদেশ আজাদি পার্টি’ ও ‘রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম’ নামের দুটি সংগঠন এই অভিযোগগুলো দায়ের করে। এর মধ্যে আজাদি পার্টি সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে এবং রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম কেবল সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে।

অভিযোগ জমা দেওয়ার পর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আজাদি পার্টির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. হাসিনুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে অসংখ্য মানুষকে হত্যা ও গুম করা হলেও সাবেক এই দুই রাষ্ট্রপতি কখনোই এর কোনো প্রতিবাদ করেননি। এসব অপরাধে তাঁদের পরোক্ষ বা মৌন সম্মতি ছিল।

একই সংগঠনের প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদ বলেন, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তাঁরা অভিযোগ দায়ের করেছেন। পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের গণহত্যা, একের পর এক জুডিশিয়াল কিলিং, গুম, খুন এবং আয়নাঘরসহ বাংলাদেশে যতগুলো নারকীয় ঘটনা ও গণহত্যা ঘটেছে, সেগুলোর সময়ে এই দুজন ব্যক্তিই রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতিরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সব ধরনের নিরাপত্তা ও সমর্থন দিয়েছেন এবং ক্ষমতার অংশীদার হিসেবে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। তাই তাঁরা এই অন্যায়ের দায় এড়াতে পারেন না।

can অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের পক্ষে অভিযোগটি করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস। তিনি কেবল সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগে আয়াস উল্লেখ করেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় গত বছরের ১৮ জানুয়ারি রাতে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে তাঁকে গুম করা হয়েছিল। পরদিন ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বাংলামোটর এলাকায় ফেলে যাওয়া হয়।

অভিযোগে মো. সাহাবুদ্দিনকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘একান্ত সহযোগী’ হিসেবে বর্ণনা করে আল নূর মোহাম্মদ আয়াস বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ, অমানবিক নির্যাতন, খুন ও গুমের হুকুমদাতা হিসেবে সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা তদন্ত করে বিচার করা উচিত। এছাড়া ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোতে সাহাবুদ্দিনের কোনো আইনি দায় বা সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে নিরূপণের দাবি জানান তিনি। এদিকে, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের কাছে এক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি আজ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:০৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে পৃথক দুটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। আজ রোববার ‘বাংলাদেশ আজাদি পার্টি’ ও ‘রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম’ নামের দুটি সংগঠন এই অভিযোগগুলো দায়ের করে। এর মধ্যে আজাদি পার্টি সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে এবং রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম কেবল সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে।

অভিযোগ জমা দেওয়ার পর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আজাদি পার্টির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. হাসিনুর রহমান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে অসংখ্য মানুষকে হত্যা ও গুম করা হলেও সাবেক এই দুই রাষ্ট্রপতি কখনোই এর কোনো প্রতিবাদ করেননি। এসব অপরাধে তাঁদের পরোক্ষ বা মৌন সম্মতি ছিল।

একই সংগঠনের প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদ বলেন, সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তাঁরা অভিযোগ দায়ের করেছেন। পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের গণহত্যা, একের পর এক জুডিশিয়াল কিলিং, গুম, খুন এবং আয়নাঘরসহ বাংলাদেশে যতগুলো নারকীয় ঘটনা ও গণহত্যা ঘটেছে, সেগুলোর সময়ে এই দুজন ব্যক্তিই রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতিরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সব ধরনের নিরাপত্তা ও সমর্থন দিয়েছেন এবং ক্ষমতার অংশীদার হিসেবে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। তাই তাঁরা এই অন্যায়ের দায় এড়াতে পারেন না।

can অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের পক্ষে অভিযোগটি করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস। তিনি কেবল সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগে আয়াস উল্লেখ করেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় গত বছরের ১৮ জানুয়ারি রাতে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে তাঁকে গুম করা হয়েছিল। পরদিন ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বাংলামোটর এলাকায় ফেলে যাওয়া হয়।

অভিযোগে মো. সাহাবুদ্দিনকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘একান্ত সহযোগী’ হিসেবে বর্ণনা করে আল নূর মোহাম্মদ আয়াস বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ, অমানবিক নির্যাতন, খুন ও গুমের হুকুমদাতা হিসেবে সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা তদন্ত করে বিচার করা উচিত। এছাড়া ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোতে সাহাবুদ্দিনের কোনো আইনি দায় বা সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে নিরূপণের দাবি জানান তিনি। এদিকে, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের কাছে এক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি আজ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo