ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় ঝড়ে রেললাইনে গাছ, স্থানীয়দের চেষ্টায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক চুয়াডাঙ্গায় ঝড়ে রেললাইনে গাছ, এক ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা: নওগাঁর এসপি কোটালীপাড়ায় নজরুলচর্চায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান বিদ্যুৎ খাতে ৩৩০ কোটি ডলার ঋণের উদ্যোগে নেজামে ইসলাম পার্টির গভীর উদ্বেগ হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ইরান হরিরামপুরে ইজিবাইক-ভ্যান সংঘর্ষে ভ্যানচালকের মৃত্যু ঝড় ও যুদ্ধের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৫ শতাংশ বাড়ল সৌদিতে ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিল দূতাবাস বিনিয়োগ ও বন্দর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যানের বৈঠক

ঢাবিতে নিকাব নিয়ে মন্তব্যের জেরে শিক্ষককে ক্লাস থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্রীর শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরা নিয়ে মন্তব্য করার জেরে সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবকে আপাতত ক্লাস থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত বুধবার (৭ অক্টোবর) স্নাতকোত্তরের ক্লাস চলাকালে ওই শিক্ষক ছাত্রীর নিকাব পরা নিয়ে কথা বলেন। তিনি নিকাব পরার কারণে অস্বস্তি বোধ করছেন জানিয়ে ওই ছাত্রীকে পেছনের সারিতে গিয়ে বসতে বলেন। শিক্ষকের এমন মন্তব্যের প্রতিবাদে ওই ছাত্রী এবং পরবর্তীতে ক্লাসের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বের হয়ে যান।

ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ডাকসুর কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমার নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীর কাছে পাঁচ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কার, শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, সংশ্লিষ্ট ব্যাচের পাঠদান থেকে অব্যাহতি এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক হয়রানি বন্ধ নিশ্চিত করা। এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে প্রক্টরের কাছেও একই ধরনের স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। একই দাবিতে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী জানান, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্লাসে কোনো শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং শিক্ষার্থীরা যেন নিগ্রহের শিকার না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সচেষ্ট।

ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজিন আজিজ চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা ডাকা হয়েছিল। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই শিক্ষকের নেওয়া কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো ক্লাস নিতে পারবেন না। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবকে ফোন করা হলে তিনি এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাবিতে নিকাব নিয়ে মন্তব্যের জেরে শিক্ষককে ক্লাস থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৯:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্রীর শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরা নিয়ে মন্তব্য করার জেরে সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবকে আপাতত ক্লাস থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত বুধবার (৭ অক্টোবর) স্নাতকোত্তরের ক্লাস চলাকালে ওই শিক্ষক ছাত্রীর নিকাব পরা নিয়ে কথা বলেন। তিনি নিকাব পরার কারণে অস্বস্তি বোধ করছেন জানিয়ে ওই ছাত্রীকে পেছনের সারিতে গিয়ে বসতে বলেন। শিক্ষকের এমন মন্তব্যের প্রতিবাদে ওই ছাত্রী এবং পরবর্তীতে ক্লাসের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বের হয়ে যান।

ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ডাকসুর কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমার নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীর কাছে পাঁচ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কার, শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, সংশ্লিষ্ট ব্যাচের পাঠদান থেকে অব্যাহতি এবং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক হয়রানি বন্ধ নিশ্চিত করা। এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে প্রক্টরের কাছেও একই ধরনের স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। একই দাবিতে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী জানান, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্লাসে কোনো শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয় এবং শিক্ষার্থীরা যেন নিগ্রহের শিকার না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সচেষ্ট।

ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজিন আজিজ চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জরুরি একাডেমিক কমিটির সভা ডাকা হয়েছিল। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই শিক্ষকের নেওয়া কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো ক্লাস নিতে পারবেন না। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবকে ফোন করা হলে তিনি এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo