ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিফার বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে ইনফান্তিনোর বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা গেলে রাষ্ট্র শক্তিশালী হয়: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী ও আমলাদের নিয়ে ছাত্রদল কর্মীর আপত্তিকর পোস্ট, ক্ষোভ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২৪ বাংলাদেশে সবাই বাংলাদেশি, কোনো আদিবাসী গোষ্ঠী নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর তৎপরতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্ত কমিটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেলেন অধ্যাপক আজম খান হাইফিউচারের এক্সক্লুসিভ পরিবেশক হলো স্মার্ট টেকনোলজিস মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে আরব বিশ্বে নতুন নজির গড়ল লেবানন রংপুরে লোডশেডিংয়ের কবলে জনজীবন: দৈনিক ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর তৎপরতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্ত কমিটি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো গোপন প্রক্রিয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০০৯ সালে দুই দফায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮১ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণকারী শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সময় তিনি ও তাঁর বোন শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। এরপর ছয় বছর ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বসহ একাধিকবার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও তিনি কানে আঘাত পান এবং তাঁর দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি ইউনেস্কোর ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার, ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ এবং আইটিইউ-এর আইসিটি পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি অনেক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়ার স্ত্রী ছিলেন, যিনি ২০০৯ সালে ইন্তেকাল করেন। তাঁদের দুই সন্তান সজীব আহমেদ ওয়াজেদ এবং সায়মা হোসেন ওয়াজেদ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর তৎপরতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্ত কমিটি

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
print news

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো গোপন প্রক্রিয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০০৯ সালে দুই দফায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮১ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণকারী শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সময় তিনি ও তাঁর বোন শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। এরপর ছয় বছর ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বসহ একাধিকবার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও তিনি কানে আঘাত পান এবং তাঁর দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি ইউনেস্কোর ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার, ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ এবং আইটিইউ-এর আইসিটি পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি অনেক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়ার স্ত্রী ছিলেন, যিনি ২০০৯ সালে ইন্তেকাল করেন। তাঁদের দুই সন্তান সজীব আহমেদ ওয়াজেদ এবং সায়মা হোসেন ওয়াজেদ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo