মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৮:০৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মার্কিন-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) প্রেসিডেন্ট এবং ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপের নেতৃত্বাধীন ১৬ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, জ্বালানি, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) চমৎকার সুযোগ রয়েছে এবং সরকার শুল্কবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে একটি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছে, যা গত ৫-৬ মাসে আরও সহজ করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, দেশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে সরকার, যা জ্বালানি খাতের বৈচিত্র্য ও জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করবে। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি), জি-টু-জি এবং বেসরকারি খাতের মাধ্যমে খাদ্যশস্য ও জ্বালানি সরবরাহ খাতে বড় বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি স্মার্ট পুলিশিংয়ের আওতায় ‘সেইফ সিটি’ প্রকল্প, ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ‘ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট’ এবং ই-ভিসা চালুর মাধ্যমে জাতীয় ও প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে।
বৈঠকে অতুল কেশাপ উল্লেখ করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় কোম্পানিগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা করছে এবং তারা অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, কর আহরণের সক্ষমতা এবং কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের এই উন্নয়ন যাত্রায় মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে অংশীদার হতে পারে, তা নিয়েও তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন।
























