ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরিবর্তনহীন পুলিশ: এখনো ঘুস ও বদলি বাণিজ্যের পুরোনো বৃত্তেই ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান শিল্পমন্ত্রীর ঘুষ না পেয়ে ঠিকাদারের হাত ভাঙার অভিযোগ সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কোনো আপস নয়: নুরুন্নিসা সিদ্দিকা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দুই সন্তানকে হাওরে ফেলে হত্যা, ঘাতক বাবা গ্রেপ্তার রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে বিএনপি ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন পেল সরকার ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে কোকোর মৃত্যু: রিজভী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল ও দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন হট ৭০ প্রো ৫জি বাজারে

জামালপুরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, কিশোরী অপহরণে তিনজনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম পৃথক দুটি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে স্ত্রী হত্যার দায়ে এক স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে অপহরণের দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হত্যা মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হনুফা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন তার স্বামী হাফিজুল। ঘটনার পর নিহতের মা আমেনা বেগম একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও আলামত পর্যালোচনার পর আদালত প্রধান আসামি হাফিজুলকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে জামালপুর সদর উপজেলার হরিপুর এলাকা থেকে অপহৃত হয়। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবার দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ গাজীপুর থেকে তাকে উদ্ধার করে। এই মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত শামীম, সাদেক ও জালাল মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এর মধ্যে জালাল মিয়াকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে অনুসরণ করেই আদালত এই রায় প্রদান করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই রায় সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং ন্যায়বিচারের প্রতি বিচারপ্রার্থীদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

জামালপুরে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, কিশোরী অপহরণে তিনজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৬:০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
print news

জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম পৃথক দুটি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে স্ত্রী হত্যার দায়ে এক স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে অপহরণের দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হত্যা মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হনুফা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন তার স্বামী হাফিজুল। ঘটনার পর নিহতের মা আমেনা বেগম একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও আলামত পর্যালোচনার পর আদালত প্রধান আসামি হাফিজুলকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে জামালপুর সদর উপজেলার হরিপুর এলাকা থেকে অপহৃত হয়। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবার দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ গাজীপুর থেকে তাকে উদ্ধার করে। এই মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত শামীম, সাদেক ও জালাল মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এর মধ্যে জালাল মিয়াকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে অনুসরণ করেই আদালত এই রায় প্রদান করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই রায় সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং ন্যায়বিচারের প্রতি বিচারপ্রার্থীদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh