ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাউকে ভয় পেতে আসিনি, আসিয়ান কাপ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হামজা চৌধুরী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি বেসিস নির্বাচন সামনে রেখে ৭ সদস্যের সহায়ক কমিটি গঠন স্টারলিংককে টেক্কা দিতে মহাকাশে অ্যামাজনের নতুন দৌড় নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের পর আজমুলের মৃত্যুতে গ্রেফতার ১ বার্লিন বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় ফ্লাইট চলাচল বন্ধ সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা গোলান মালভূমি সিরিয়ারই থাকবে, জাতিসংঘে আল-শারার ঘোষণা ভোলায় এনসিপির কমিটি ঘোষণার পরপরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ এফবিআইয়ের হাজারো কর্মকর্তার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি হ্যাকারদের

চার প্রতিষ্ঠানের ৮ ভেরিয়েন্টের পণ্য বাজার থেকে সরানোর নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় চারটি প্রতিষ্ঠানের আট ভেরিয়েন্টের পণ্য বাজার থেকে দ্রুত প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার বিএসটিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসব পণ্যে ক্ষতিকারক অনুজীব, মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ এবং নির্ধারিত মানের ব্যত্যয় পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, ফ্রেশ গার্ডেন এগ্রো রিসোর্সেসের আমের আচারে মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বেলিসিমো ব্র্যান্ডের আইসক্রিমে টোটাল মিল্ক সলিড নন-ফ্যাটের পরিমাণ নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের লাবণ্য ব্র্যান্ডের মিল্ক স্কিন লোশন, অ্যালোভেরা স্কিন লোশন, ফেসওয়াশ (মোরিংগা মাচা, ফোমিং মিল্ক ও তুলসী) এবং লাবণ্য ব্র্যান্ডের অ্যালোভেরা শ্যাম্পুতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ডেকো ফুডস লিমিটেডের ডেকো ফ্রুট ফান্ডা ব্র্যান্ডের ম্যাংগো ও অরেঞ্জ ভেরিয়েন্টের সফট ড্রিংক পাউডারে ভিটামিন ‘সি’-এর পরিমাণ বাংলাদেশ মানের তুলনায় কম পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইতিমধ্যে প্রত্যাখ্যানপত্র দেওয়া হয়েছে এবং লাইসেন্স নবায়ন বা নতুন অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত এসব পণ্যের উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক জানান, জনস্বার্থ ও ভোক্তা সুরক্ষায় তারা সব পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে এসব পণ্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশনা মানা হচ্ছে কি না, তা বিএসটিআই তদারকি করবে এবং অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর ও মেয়াদের তারিখ যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন। কোনো পণ্যের মান বা মানচিহ্নের অপব্যবহার নিয়ে অভিযোগ থাকলে বিএসটিআইকে জানানোর আহ্বানও জানানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

চার প্রতিষ্ঠানের ৮ ভেরিয়েন্টের পণ্য বাজার থেকে সরানোর নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় চারটি প্রতিষ্ঠানের আট ভেরিয়েন্টের পণ্য বাজার থেকে দ্রুত প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার বিএসটিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসব পণ্যে ক্ষতিকারক অনুজীব, মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ এবং নির্ধারিত মানের ব্যত্যয় পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, ফ্রেশ গার্ডেন এগ্রো রিসোর্সেসের আমের আচারে মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বেলিসিমো ব্র্যান্ডের আইসক্রিমে টোটাল মিল্ক সলিড নন-ফ্যাটের পরিমাণ নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের লাবণ্য ব্র্যান্ডের মিল্ক স্কিন লোশন, অ্যালোভেরা স্কিন লোশন, ফেসওয়াশ (মোরিংগা মাচা, ফোমিং মিল্ক ও তুলসী) এবং লাবণ্য ব্র্যান্ডের অ্যালোভেরা শ্যাম্পুতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ডেকো ফুডস লিমিটেডের ডেকো ফ্রুট ফান্ডা ব্র্যান্ডের ম্যাংগো ও অরেঞ্জ ভেরিয়েন্টের সফট ড্রিংক পাউডারে ভিটামিন ‘সি’-এর পরিমাণ বাংলাদেশ মানের তুলনায় কম পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইতিমধ্যে প্রত্যাখ্যানপত্র দেওয়া হয়েছে এবং লাইসেন্স নবায়ন বা নতুন অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত এসব পণ্যের উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক জানান, জনস্বার্থ ও ভোক্তা সুরক্ষায় তারা সব পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে এসব পণ্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশনা মানা হচ্ছে কি না, তা বিএসটিআই তদারকি করবে এবং অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর ও মেয়াদের তারিখ যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন। কোনো পণ্যের মান বা মানচিহ্নের অপব্যবহার নিয়ে অভিযোগ থাকলে বিএসটিআইকে জানানোর আহ্বানও জানানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin