ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ মন্তব্য করা ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী

ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ওমান উপকূলে এমভি কেপ দাও নামের একটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজে মিসাইল হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভারতগামী জাহাজটি ওমানের মুসান্দাম উপকূল থেকে প্রায় ২৫ নটিক্যাল মাইল দূরে হামলার কবলে পড়ে। এ ঘটনায় জাহাজের ইঞ্জিন ও আবাসন এলাকার কাছে পরপর দুটি আঘাত লাগে, যার ফলে ইঞ্জিনকক্ষে আগুন ধরে যায়।

জাহাজটির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন বাংলাদেশি নাগরিক মো. আমান উল্লাহ। হামলার সময় তিনি নিয়ন্ত্রণকক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন, যে কারণে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তবে তাঁর কেবিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর বেলা ১টা ৬ মিনিটে তিনি তাঁর ছেলে মো. সাকিব আমানকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি অডিও বার্তা পাঠিয়ে পরিস্থিতি জানান এবং পরিবারের কাছে দোয়া চান। তিনি বিশেষ করে অনুরোধ করেন যেন বিষয়টি তাঁর স্ত্রীর কাছে গোপন রাখা হয়, যাতে তিনি আতঙ্কিত না হন।

ওমানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রয়্যাল নেভি অব ওমান দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে জাহাজের ২৭ জন নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়। তবে এই হামলায় একজন নাবিক নিহত হয়েছেন। ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত নাবিক ভারতীয়। জাহাজে থাকা ২০ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে ১৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী আমান উল্লাহসহ জীবিত নাবিকদের নিরাপদে ওমানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর ছেলে সাকিব আমান জানিয়েছেন, উদ্ধারের পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে এবং বাবা এখন নিরাপদে আছেন। সাকিব নিজেও একজন মেরিন ক্যাডেট হিসেবে কর্মরত। এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর পরিবারের সদস্যরা কিছুটা স্বস্তি পেলেও সেই কয়েক মিনিটের অনিশ্চয়তার স্মৃতি তাদের এখনো বিচলিত করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ

আপডেট সময় : ১২:৩০:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওমান উপকূলে এমভি কেপ দাও নামের একটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজে মিসাইল হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভারতগামী জাহাজটি ওমানের মুসান্দাম উপকূল থেকে প্রায় ২৫ নটিক্যাল মাইল দূরে হামলার কবলে পড়ে। এ ঘটনায় জাহাজের ইঞ্জিন ও আবাসন এলাকার কাছে পরপর দুটি আঘাত লাগে, যার ফলে ইঞ্জিনকক্ষে আগুন ধরে যায়।

জাহাজটির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন বাংলাদেশি নাগরিক মো. আমান উল্লাহ। হামলার সময় তিনি নিয়ন্ত্রণকক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন, যে কারণে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তবে তাঁর কেবিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর বেলা ১টা ৬ মিনিটে তিনি তাঁর ছেলে মো. সাকিব আমানকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি অডিও বার্তা পাঠিয়ে পরিস্থিতি জানান এবং পরিবারের কাছে দোয়া চান। তিনি বিশেষ করে অনুরোধ করেন যেন বিষয়টি তাঁর স্ত্রীর কাছে গোপন রাখা হয়, যাতে তিনি আতঙ্কিত না হন।

ওমানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রয়্যাল নেভি অব ওমান দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে জাহাজের ২৭ জন নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়। তবে এই হামলায় একজন নাবিক নিহত হয়েছেন। ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত নাবিক ভারতীয়। জাহাজে থাকা ২০ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে ১৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী আমান উল্লাহসহ জীবিত নাবিকদের নিরাপদে ওমানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর ছেলে সাকিব আমান জানিয়েছেন, উদ্ধারের পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে এবং বাবা এখন নিরাপদে আছেন। সাকিব নিজেও একজন মেরিন ক্যাডেট হিসেবে কর্মরত। এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর পরিবারের সদস্যরা কিছুটা স্বস্তি পেলেও সেই কয়েক মিনিটের অনিশ্চয়তার স্মৃতি তাদের এখনো বিচলিত করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo