২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেক করার অঙ্গীকার বাংলাদেশের
- আপডেট সময় : ০৯:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নিজেদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। স্থানীয় সময় সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৈঠকে মন্ত্রী জানান, জাতিসংঘ ঘোষিত সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মদশক (২০২১–২০৩০)-এর বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-ভিত্তিক গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনাত্তোর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিতকরণ এবং মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
সড়ক নিরাপত্তাকে একটি জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে অভিহিত করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য। তিনি বলেন, 'সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ' এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সব সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান। এছাড়া, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য 'সড়ক নিরাপত্তায় বহুখাতভিত্তিক সমন্বয় জোরদার' শীর্ষক একটি সাইড ইভেন্টে মন্ত্রী যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

























