ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিতর্কিত নওমিকে এশিয়ান গেমসে নারী দলের ম্যানেজার করল বাফুফে ফিলিস্তিন ইস্যু মুছে ফেলতে চায় ইসরাইল: এরদোগান এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমেই হবে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ, আশ্বস্ত শিক্ষক নেতারা বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সরাসরি দেখবেন যেভাবে বিএনপি অলিগার্ক তোষণের পথে হাঁটছে, অভিযোগ নাহিদ ইসলামের গাজীপুর সাফারি পার্কে দুই হাতির মৃত্যু ১১ অক্টোবর সিডনিতে বসছে চট্টগ্রাম ক্লাবের স্প্রিং ফেয়ার ২০২৬ সাংবাদিক নুর মোহাম্মদকে হত্যার হুমকি, ইরাব ও বিএসআরএফের তীব্র নিন্দা ব্রেন ক্যানসারে আক্রান্ত শিশু নূরের চিকিৎসায় সাহায্যের আকুল আবেদন বরিশালে আদালত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরণ, সাভারে জেএমবি আস্তানায় অভিযান

সরিষাবাড়ীর রাধানগর সানসেট পয়েন্টে দর্শনার্থীদের ভোগান্তি ও ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরে গড়ে ওঠা রাধানগর সানসেট পয়েন্ট বর্তমানে স্থানীয় ও দূরদূরান্তের দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। যমুনার মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সূর্যাস্ত উপভোগ করতে প্রতিদিন সেখানে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেন। তবে এই পর্যটন কেন্দ্রটি ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী পর্যটকদের অভিযোগ, সানসেট পয়েন্টের কয়েকটি ফাস্টফুডের দোকানে কম্পিউটারে তৈরি আকর্ষণীয় খাবারের ছবি দেখিয়ে অর্ডার নেওয়া হলেও পরিবেশন করা হয় নিম্নমানের খাবার। অথচ এর জন্য তাদের গুনতে হয় তুলনামূলক বেশি মূল্য। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার দর্শনার্থীর চাপ বাড়লে খাবারের মান আরও নিম্নমুখী হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে অনেক সময় ক্রেতাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় বলে দাবি করেছেন কয়েকজন দর্শনার্থী।

দর্শনার্থী জাহাঙ্গীর আলম, শাহীন আলম সরকার, লাকী আক্তার ও স্বপন আকন্দ জানান, পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে ক্যাটালগ দেখে যে খাবারের অর্ডার দেওয়া হয়েছিল, পরিবেশন করা খাবারের সঙ্গে তার কোনো মিল নেই। খাবারের মান ছিল নিম্নমানের অথচ মূল্য নেওয়া হয়েছে অনেক বেশি। শিক্ষার্থী সানজিদা ছোলাইমান আওকী ও সাদিয়া ছোলাইমান রেইকীর অভিযোগ, ক্যাটালগে আকর্ষণীয় জুসের ছবি দেখিয়ে যে পানীয় পরিবেশন করা হয়েছে, তাতে লেবুর স্বাদও ছিল না। বরফ ও বিট লবণ মিশিয়ে সাধারণ মানের পানীয় পরিবেশন করা হলেও দাম নেওয়া হয়েছে বেশি।

ওষুধ ব্যবসায়ী মমিনুল ইসলাম শান্ত, আনিছুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন ও আবুল হোসেনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, ফুচকা, চটপটি ও অন্যান্য ফাস্টফুডের মান অত্যন্ত নিম্নমানের এবং স্বাদহীন। অভিযোগ জানাতে গেলে অনেক সময় বিক্রেতারা গুরুত্ব দেন না, বরং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ফলে অনেকেই বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে চুপ থাকেন।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, যমুনা নদীতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই ভাসমান রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত না থাকায় সেখানে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ভুক্তভোগী দর্শনার্থীরা পর্যটন সম্ভাবনাময় এ স্থানটির সুনাম রক্ষায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাবারের মান ও মূল্য তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সরিষাবাড়ীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সরিষাবাড়ীর রাধানগর সানসেট পয়েন্টে দর্শনার্থীদের ভোগান্তি ও ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরে গড়ে ওঠা রাধানগর সানসেট পয়েন্ট বর্তমানে স্থানীয় ও দূরদূরান্তের দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। যমুনার মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সূর্যাস্ত উপভোগ করতে প্রতিদিন সেখানে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেন। তবে এই পর্যটন কেন্দ্রটি ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী পর্যটকদের অভিযোগ, সানসেট পয়েন্টের কয়েকটি ফাস্টফুডের দোকানে কম্পিউটারে তৈরি আকর্ষণীয় খাবারের ছবি দেখিয়ে অর্ডার নেওয়া হলেও পরিবেশন করা হয় নিম্নমানের খাবার। অথচ এর জন্য তাদের গুনতে হয় তুলনামূলক বেশি মূল্য। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার দর্শনার্থীর চাপ বাড়লে খাবারের মান আরও নিম্নমুখী হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে অনেক সময় ক্রেতাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় বলে দাবি করেছেন কয়েকজন দর্শনার্থী।

দর্শনার্থী জাহাঙ্গীর আলম, শাহীন আলম সরকার, লাকী আক্তার ও স্বপন আকন্দ জানান, পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে ক্যাটালগ দেখে যে খাবারের অর্ডার দেওয়া হয়েছিল, পরিবেশন করা খাবারের সঙ্গে তার কোনো মিল নেই। খাবারের মান ছিল নিম্নমানের অথচ মূল্য নেওয়া হয়েছে অনেক বেশি। শিক্ষার্থী সানজিদা ছোলাইমান আওকী ও সাদিয়া ছোলাইমান রেইকীর অভিযোগ, ক্যাটালগে আকর্ষণীয় জুসের ছবি দেখিয়ে যে পানীয় পরিবেশন করা হয়েছে, তাতে লেবুর স্বাদও ছিল না। বরফ ও বিট লবণ মিশিয়ে সাধারণ মানের পানীয় পরিবেশন করা হলেও দাম নেওয়া হয়েছে বেশি।

ওষুধ ব্যবসায়ী মমিনুল ইসলাম শান্ত, আনিছুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন ও আবুল হোসেনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, ফুচকা, চটপটি ও অন্যান্য ফাস্টফুডের মান অত্যন্ত নিম্নমানের এবং স্বাদহীন। অভিযোগ জানাতে গেলে অনেক সময় বিক্রেতারা গুরুত্ব দেন না, বরং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ফলে অনেকেই বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে চুপ থাকেন।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, যমুনা নদীতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই ভাসমান রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত না থাকায় সেখানে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ভুক্তভোগী দর্শনার্থীরা পর্যটন সম্ভাবনাময় এ স্থানটির সুনাম রক্ষায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাবারের মান ও মূল্য তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সরিষাবাড়ীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh