ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১১ অক্টোবর সিডনিতে বসছে চট্টগ্রাম ক্লাবের স্প্রিং ফেয়ার ২০২৬ সাংবাদিক নুর মোহাম্মদকে হত্যার হুমকি, ইরাব ও বিএসআরএফের তীব্র নিন্দা ব্রেন ক্যানসারে আক্রান্ত শিশু নূরের চিকিৎসায় সাহায্যের আকুল আবেদন বরিশালে আদালত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরণ, সাভারে জেএমবি আস্তানায় অভিযান বোয়ালমারীতে আওয়ামী লীগ নেতা এস এম ফারুক গ্রেপ্তার আনসার ও ভিডিপির ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের প্রশিক্ষণার্থী বাছাই সম্পন্ন লাকসামে চার পরিবারকে সমাজচ্যুত করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ওয়ালটনে ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার নিয়োগ, আবেদনের সুযোগ ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ট্রুথ সোশ্যালে আগাম পোস্ট দেখার সুবিধা, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: জাজান হামলার পর নতুন সমীকরণ ও বাংলাদেশের স্বার্থ

দশম শ্রেণির চারজন স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫ ৩৫০ বার পড়া হয়েছে

দশম শ্রেণির চারজন স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার

দশম শ্রেণির চারজন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফতুল্লার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ এ সময় তার কাছ থেকে তিন ভুক্তভোগী ছাত্রীকেও উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত মিজানুর রহমান বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মৃত আবু তালেব শিকদারের পুত্র।

ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) শরিফুল ইসলাম জানান, মিজান ঢাকায় থাকলেও ফতুল্লার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আর্ট ও কম্পিউটার ক্লাস নিতেন। তিনি ছুটির দিনে অর্থাৎ প্রতি শুক্রবার শিক্ষার্থীদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রলোভন দেখাতেন। সেখানে নিয়েই তাদের ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ।

পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, চলতি জুন মাসের ৬, ১১ এবং ২৩ তারিখে এই শিক্ষক কৌশলে দশম শ্রেণির চার ছাত্রীকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় তাদের ওপর একাধিকবার পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। সর্বশেষ ২৩ জুন একজন ছাত্রীকে একই কায়দায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ২৪ জুন সে ছাত্রী কোনোমতে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এরপরই সে তার পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। সে জানায়, তার তিন বান্ধবী এখনো ঢাকায় আটকে আছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত মোহাম্মদপুরে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই তিন ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইন্সপেক্টর শরিফুল ইসলাম আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত মিজান একজন বিকৃত রুচির ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে ঢাকার একটি থানায় আগেই পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণের একটি মামলা রয়েছে। ফতুল্লা থানায়ও নতুন করে একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে। আমরা তাকে রিমান্ডে এনে আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করব।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

দশম শ্রেণির চারজন স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:২২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার

দশম শ্রেণির চারজন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফতুল্লার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ এ সময় তার কাছ থেকে তিন ভুক্তভোগী ছাত্রীকেও উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত মিজানুর রহমান বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার মৃত আবু তালেব শিকদারের পুত্র।

ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) শরিফুল ইসলাম জানান, মিজান ঢাকায় থাকলেও ফতুল্লার পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আর্ট ও কম্পিউটার ক্লাস নিতেন। তিনি ছুটির দিনে অর্থাৎ প্রতি শুক্রবার শিক্ষার্থীদের ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রলোভন দেখাতেন। সেখানে নিয়েই তাদের ধর্ষণ করতেন বলে অভিযোগ।

পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, চলতি জুন মাসের ৬, ১১ এবং ২৩ তারিখে এই শিক্ষক কৌশলে দশম শ্রেণির চার ছাত্রীকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় তাদের ওপর একাধিকবার পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। সর্বশেষ ২৩ জুন একজন ছাত্রীকে একই কায়দায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ২৪ জুন সে ছাত্রী কোনোমতে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এরপরই সে তার পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে। সে জানায়, তার তিন বান্ধবী এখনো ঢাকায় আটকে আছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ দ্রুত মোহাম্মদপুরে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই তিন ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইন্সপেক্টর শরিফুল ইসলাম আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত মিজান একজন বিকৃত রুচির ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে ঢাকার একটি থানায় আগেই পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণের একটি মামলা রয়েছে। ফতুল্লা থানায়ও নতুন করে একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়েছে। আমরা তাকে রিমান্ডে এনে আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করব।”