শেরপুর ফলপট্টিতে ফকিরের উৎপাত, অস্বস্তিতে ক্রেতারা।

- আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ বগুড়ার শেরপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফলপট্টি এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ভিক্ষুকের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। তাঁদের ভাষ্য কয়েক বছর আগেও এ এলাকায় এমন চিত্র ছিল না। বর্তমানে বাজারে কোনো ক্রেতা ফল বা অন্যান্য পণ্য কিনতে গেলেই একাধিক ভিক্ষুক চারদিক থেকে এগিয়ে এসে সাহায্যের আবেদন করেন। এতে অনেক ক্রেতাই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন।
এসব ভিক্ষুকদের মধ্যে অধিকাংশই বয়স্ক নারী। তাঁরা দিনের বেশিরভাগ সময় ফলপট্টি ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান করে পথচারী ও ক্রেতাদের কাছে সাহায্য চান। ফলে বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেক ব্যবসায়ী।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব ভিক্ষুকের একটি বড় অংশের বসবাস ছোটফুলবাড়ী, জয়নগর, গোসাইপাড়া এবং মহিপুর এলাকার কিছু অংশে। তবে তাঁদের প্রত্যেকের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থা একই রকম কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
এ পরিস্থিতি নিয়ে সচেতন নাগরিকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁদের মতে, প্রকৃত দারিদ্র্যের কারণে কেউ ভিক্ষাবৃত্তিতে নেমে থাকলে তাঁদের জন্য সরকারি ও সামাজিক সহায়তা আরও কার্যকর হওয়া উচিত। একই সঙ্গে এটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র বা অসাধু ব্যক্তি এসব মানুষকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহার করছে কি না।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ক্রেতাদের নির্বিঘ্নে কেনাকাটার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো দরকার।
পাশাপাশি প্রকৃত অসহায় মানুষের পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনে সমাজসেবা বিভাগের মাধ্যমে সহায়তা নিশ্চিত করা।
তাই অনেকেই মনে করেন, ভিক্ষাবৃত্তির মতো সামাজিক সমস্যার সমাধান কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়; দারিদ্র্য বিমোচন, পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেও দীর্ঘমেয়াদে এ সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব।




























