ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী অবস্থান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে নতুন স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না: নাহিদ ইসলাম এডিপি বাস্তবায়নে ইতিহাসের সর্বনিম্ন হার, বড় ধরনের ধস ব্যাংকঋণের সুদহার কমাতে নীতি সুদহার কমাল বাংলাদেশ ব্যাংক নিট আন্দোলনকারীদের ওপর দমনপীড়ন বন্ধ না হলে সরকার বদলের হুঁশিয়ারি পিকেএসএফের নতুন প্রকল্পে উপকৃত হবেন আড়াই লাখ পরিবার অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করলেন শান্ত তারেক রহমানের প্রচেষ্টায় পরিবর্তনের আশা দেখছেন মির্জা ফখরুল বসুন্ধরায় স্বপ্নের ৯৭৫তম আউটলেটের যাত্রা শুরু কুড়িগ্রামে ছাত্রশক্তি নেতা শাওনের ওপর ছাত্রদল কর্মীদের হামলার অভিযোগ

অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করলেন শান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক ভিন্নধর্মী পরিস্থিতির অবতারণা করেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছেই প্রশ্ন রাখেন, এই সিরিজ থেকে তারা কী প্রত্যাশা করছেন এবং দল কেমন করবে বলে মনে করছেন। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে 'ভালো খেলা' এবং প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনের উদ্ধৃতি দিয়ে 'সম্মান অর্জন' করার মতো উত্তরগুলো আসে, যা শান্তর পছন্দ হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

বাংলাদেশ দলের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলা একটি বিরল ঘটনা। ২০০৩ সালের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ দল এই সুযোগ পায়নি। শান্তর জন্য এটি একটি বিশেষ মাইলফলক, কারণ ২০০৩ সালে যখন বাংলাদেশ শেষবার অস্ট্রেলিয়া সফর করে, তখন তিনি ছিলেন মাত্র চার বছরের শিশু। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের মতো প্রজন্মের অনেক তারকার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেলেও অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার সুযোগ মেলেনি। এই বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে শান্তর লক্ষ্য হলো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সম্মান আদায় করা।

অধিনায়ক শান্ত বলেন, 'আমি খুবই ভাগ্যবান যে অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট খেলতে পারছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হবে ওখানে ভালো ক্রিকেট খেলে সম্মান অর্জন করা। যদি আমরা ওদের টাফ টাইম দিতে পারি, তবে ভবিষ্যতে আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাব।'

তবে দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। চোটের কারণে দলের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি নাহিদ রানাকে পাওয়া যাচ্ছে না, যা শান্তর জন্য বড় আক্ষেপের কারণ। এছাড়াও প্রথম টেস্টে শরিফুল ইসলাম ও লিটন দাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারফরমারদের অনুপস্থিতি দলের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ থেকে বড় আয়ের সম্ভাবনা না থাকায় মূল ভেন্যুগুলোতে ম্যাচ রাখেনি। সিরিজের ম্যাচগুলো হবে ডারউইন ও ম্যাকাওয়ে। ডারউইনে ২৩ বছর পর টেস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, আর ম্যাকাওয়ের জন্য এটি হবে নতুন ভেন্যুর অভিষেক। শান্তর মতে, অস্ট্রেলিয়ার মতো ক্রিকেট জাতি তখনই আমন্ত্রণ জানায় যখন তারা লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখে, তাই মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই নিজেদের প্রমাণ করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করলেন শান্ত

আপডেট সময় : ০২:১৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
print news

অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক ভিন্নধর্মী পরিস্থিতির অবতারণা করেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছেই প্রশ্ন রাখেন, এই সিরিজ থেকে তারা কী প্রত্যাশা করছেন এবং দল কেমন করবে বলে মনে করছেন। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে 'ভালো খেলা' এবং প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনের উদ্ধৃতি দিয়ে 'সম্মান অর্জন' করার মতো উত্তরগুলো আসে, যা শান্তর পছন্দ হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

বাংলাদেশ দলের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলা একটি বিরল ঘটনা। ২০০৩ সালের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ দল এই সুযোগ পায়নি। শান্তর জন্য এটি একটি বিশেষ মাইলফলক, কারণ ২০০৩ সালে যখন বাংলাদেশ শেষবার অস্ট্রেলিয়া সফর করে, তখন তিনি ছিলেন মাত্র চার বছরের শিশু। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের মতো প্রজন্মের অনেক তারকার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেলেও অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার সুযোগ মেলেনি। এই বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে শান্তর লক্ষ্য হলো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সম্মান আদায় করা।

অধিনায়ক শান্ত বলেন, 'আমি খুবই ভাগ্যবান যে অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট খেলতে পারছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হবে ওখানে ভালো ক্রিকেট খেলে সম্মান অর্জন করা। যদি আমরা ওদের টাফ টাইম দিতে পারি, তবে ভবিষ্যতে আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাব।'

তবে দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। চোটের কারণে দলের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি নাহিদ রানাকে পাওয়া যাচ্ছে না, যা শান্তর জন্য বড় আক্ষেপের কারণ। এছাড়াও প্রথম টেস্টে শরিফুল ইসলাম ও লিটন দাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারফরমারদের অনুপস্থিতি দলের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ থেকে বড় আয়ের সম্ভাবনা না থাকায় মূল ভেন্যুগুলোতে ম্যাচ রাখেনি। সিরিজের ম্যাচগুলো হবে ডারউইন ও ম্যাকাওয়ে। ডারউইনে ২৩ বছর পর টেস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, আর ম্যাকাওয়ের জন্য এটি হবে নতুন ভেন্যুর অভিষেক। শান্তর মতে, অস্ট্রেলিয়ার মতো ক্রিকেট জাতি তখনই আমন্ত্রণ জানায় যখন তারা লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখে, তাই মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই নিজেদের প্রমাণ করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh