ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাতে বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়, এ মাসেই যুক্ত হচ্ছে নতুন ট্রেন বাবার প্রয়াণে আবেগঘন বার্তায় মেসি: ‘শান্তিতে ঘুমাও বাবা’ জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালুর ঘোষণা মাহদী আমিনের ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরকে ‘রাজনৈতিক জোকার’ বললেন চিফ প্রসিকিউটর বিএমইউ’র বরিশাল বিভাগীয় কল্যাণ সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সমকামিতার অভিযোগ: ঢাবির ২ শিক্ষার্থীর হলের সিট স্থায়ী বাতিল দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযান, ২০ লাখ শলাকা জব্দ ডিমলায় ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু পরিদর্শনে গিয়ে বিপদে এমপি ও নেতাকর্মীরা হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি শর্তে বাড়ছে উদ্বেগ পল্লবীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্ব: ল্যাংড়া রুবেলসহ গ্রেপ্তার ৫

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ সংস্কারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নদীভাঙনের ঝুঁকি কমাতে চাঁদপুরের মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের দুই পাশে সংস্কারকাজ শুরু হলেও তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রকল্পের কাজের মান অত্যন্ত নিম্ন এবং এতে ব্যাপক অনিয়ম করা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী বাইরে থেকে মাটি এনে ভরাট করার কথা থাকলেও, ঠিকাদাররা বাঁধের গোড়া থেকেই এক্সকাভেটর বা ভেকু দিয়ে মাটি কেটে তা উপরে ফেলছেন। এর ফলে বাঁধের মূল ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই ফেলা মাটি ধসে নিচে পড়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নের সুগন্ধি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সংস্কার করা অংশের বিভিন্ন স্থানে নতুন ফেলা মাটি বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে নিচে পড়ে আছে। স্থানীয়রা জানান, সুগন্ধি এলাকা থেকে দক্ষিণে প্রায় এক কিলোমিটার অংশের কাজ শেষ হলেও বাঁধটি এখন আগের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এভাবে বাঁধের গোড়ার মাটি কেটেই সংস্কারকাজ চালানো হচ্ছে। এছাড়া মূল ঠিকাদার নিজে কাজ না করে তা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কাজের তদারকিতেও চরম অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। সুগন্ধি এলাকায় নিয়োজিত তৃতীয় পক্ষের প্রতিনিধি মো. মাহবুব জানান, যতটুকু মাটি কাটা হয়েছে সেই অনুযায়ী বিল পাওয়া যাবে, তবে কাজটি নিয়ে তারা বেশ বিপাকে আছেন। অনুসন্ধান বলছে, প্রকল্পের অধিকাংশ উন্নয়নকাজ স্থানীয়ভাবে সমন্বয় ও তদারকি করেন মিয়া মঞ্জুর আমীন স্বপন। তার বিরুদ্ধে পাউবোর স্থানীয় কর্মকর্তাদের ওপর প্রভাব খাটানোর অভিযোগও রয়েছে। তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা শামীম মিয়া কাজের তথ্য না দিয়ে উল্টো বিষয়টি মঞ্জুর আমীন স্বপনকে জানান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে মিয়া মঞ্জুর আমীন স্বপন বলেন, বৃষ্টির কারণে কিছু জায়গায় মাটি নেমে গেছে এবং কাজ শেষ হওয়ার আগে তা ঠিক করে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে যতবার মাটি সরবে ততবারই ভরাট করা হবে বলে তিনি দাবি করেন। এদিকে চাঁদপুর মেঘনা-ধনাগোদা পাউবো বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সেলিম শাহেদ জানিয়েছেন, মাটি সরে যাওয়ার বিষয়টি তাদের জানা আছে এবং ক্ষতি হওয়া স্থানে পুনরায় মাটি দেওয়া হবে। তবে শ্রমিকের বদলে ভেকু দিয়ে বাঁধের গোড়ার মাটি কাটার বিষয়টি নিয়ে তিনি দাবি করেন, এতে কোনো সমস্যা নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ সংস্কারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
print news

নদীভাঙনের ঝুঁকি কমাতে চাঁদপুরের মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের দুই পাশে সংস্কারকাজ শুরু হলেও তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রকল্পের কাজের মান অত্যন্ত নিম্ন এবং এতে ব্যাপক অনিয়ম করা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী বাইরে থেকে মাটি এনে ভরাট করার কথা থাকলেও, ঠিকাদাররা বাঁধের গোড়া থেকেই এক্সকাভেটর বা ভেকু দিয়ে মাটি কেটে তা উপরে ফেলছেন। এর ফলে বাঁধের মূল ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই ফেলা মাটি ধসে নিচে পড়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নের সুগন্ধি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সংস্কার করা অংশের বিভিন্ন স্থানে নতুন ফেলা মাটি বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে নিচে পড়ে আছে। স্থানীয়রা জানান, সুগন্ধি এলাকা থেকে দক্ষিণে প্রায় এক কিলোমিটার অংশের কাজ শেষ হলেও বাঁধটি এখন আগের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এভাবে বাঁধের গোড়ার মাটি কেটেই সংস্কারকাজ চালানো হচ্ছে। এছাড়া মূল ঠিকাদার নিজে কাজ না করে তা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কাজের তদারকিতেও চরম অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। সুগন্ধি এলাকায় নিয়োজিত তৃতীয় পক্ষের প্রতিনিধি মো. মাহবুব জানান, যতটুকু মাটি কাটা হয়েছে সেই অনুযায়ী বিল পাওয়া যাবে, তবে কাজটি নিয়ে তারা বেশ বিপাকে আছেন। অনুসন্ধান বলছে, প্রকল্পের অধিকাংশ উন্নয়নকাজ স্থানীয়ভাবে সমন্বয় ও তদারকি করেন মিয়া মঞ্জুর আমীন স্বপন। তার বিরুদ্ধে পাউবোর স্থানীয় কর্মকর্তাদের ওপর প্রভাব খাটানোর অভিযোগও রয়েছে। তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা শামীম মিয়া কাজের তথ্য না দিয়ে উল্টো বিষয়টি মঞ্জুর আমীন স্বপনকে জানান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে মিয়া মঞ্জুর আমীন স্বপন বলেন, বৃষ্টির কারণে কিছু জায়গায় মাটি নেমে গেছে এবং কাজ শেষ হওয়ার আগে তা ঠিক করে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে যতবার মাটি সরবে ততবারই ভরাট করা হবে বলে তিনি দাবি করেন। এদিকে চাঁদপুর মেঘনা-ধনাগোদা পাউবো বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সেলিম শাহেদ জানিয়েছেন, মাটি সরে যাওয়ার বিষয়টি তাদের জানা আছে এবং ক্ষতি হওয়া স্থানে পুনরায় মাটি দেওয়া হবে। তবে শ্রমিকের বদলে ভেকু দিয়ে বাঁধের গোড়ার মাটি কাটার বিষয়টি নিয়ে তিনি দাবি করেন, এতে কোনো সমস্যা নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy