ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিম্ন আয়ের দেশের ঋণঝুঁকি মূল্যায়নে নতুন কাঠামো আনছে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বুধবার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি গুলশান বিভাগের নতুন ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রুহুল কবীর খান মাদক সেবন ও কারবারে জড়িত মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল কারাগারে চাঁদা দাবির অভিযোগে বহিষ্কৃত কৃষক দল নেতা ফয়সাল যবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অতিরিক্ত বাস ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল হবে: পরিবহনমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেশার্স ডে-নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ভাবার আহ্বান গুতেরেসের

বেনাপোলে ইউনুস আলী হত্যা রহস্য উদঘাটন, পিবিআই’র তদন্তে আটক-২

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ১২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




ফখরুল আলম সাজু

যশোর জেলা বেনাপোলে চাঞ্চল্যকর ইউনুস আলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), এ ঘটনায় জড়িত ২ আসামিকে আটক করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল সহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, বেনাপোলের রহমতপুর গ্রামের মহিউদ্দিন শেখের ছেলে তরিকুল ইসলাম এবং একই গ্রামের আরাফাতের ছেলে সবুজ হোসেন (২১), নিহত ইউনুস আলী (৪৭) ছোট আচড়া গ্রামের মৃত মোস্তাব আলীর ছেলে, তিনি বেনাপোল স্থলবন্দরের ১টি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পিবিআই পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, পারিবারিক জটিলতা ও পূর্বের দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, নিহতের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, পরবর্তীতে বিয়ে, বিচ্ছেদ এবং পুনরায় সংসার এসব ঘটনার জেরে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং সেখান থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

গত ২২ এপ্রিল কৌশলে তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রহমতপুরের ১টি বাড়িতে নিয়ে যায়, সেখানে আনোয়ার সহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করে, ১ পর্যায়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়, পরে সবুজের অ্যাপাচি মোটরসাইকেলে মরদেহ বেনাপোল-পুটখালী সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বেনাপোল পোর্ট থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই যশোরের এসআই রতন মিয়া।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করে গত ২৭ এপ্রিল রাতে গোপালগঞ্জ থেকে তরিকুল ইসলামকে আটক করা হয়, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সবুজ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই, তবে মামলার মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ার হোসেন সহ আরও কয়েকজন এখনো পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

গত শুক্রবার সকালে যশোর শহরের ২৫০ শয্যা হাসপাতাল এলাকা থেকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ তাকে আটক করে, ওই দিন বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন, মামলার তদন্তে স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে, পরে তাকে আটক করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বেনাপোলে ইউনুস আলী হত্যা রহস্য উদঘাটন, পিবিআই’র তদন্তে আটক-২

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ফখরুল আলম সাজু

যশোর জেলা বেনাপোলে চাঞ্চল্যকর ইউনুস আলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), এ ঘটনায় জড়িত ২ আসামিকে আটক করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল সহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, বেনাপোলের রহমতপুর গ্রামের মহিউদ্দিন শেখের ছেলে তরিকুল ইসলাম এবং একই গ্রামের আরাফাতের ছেলে সবুজ হোসেন (২১), নিহত ইউনুস আলী (৪৭) ছোট আচড়া গ্রামের মৃত মোস্তাব আলীর ছেলে, তিনি বেনাপোল স্থলবন্দরের ১টি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পিবিআই পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, পারিবারিক জটিলতা ও পূর্বের দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, নিহতের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, পরবর্তীতে বিয়ে, বিচ্ছেদ এবং পুনরায় সংসার এসব ঘটনার জেরে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং সেখান থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

গত ২২ এপ্রিল কৌশলে তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রহমতপুরের ১টি বাড়িতে নিয়ে যায়, সেখানে আনোয়ার সহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করে, ১ পর্যায়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়, পরে সবুজের অ্যাপাচি মোটরসাইকেলে মরদেহ বেনাপোল-পুটখালী সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বেনাপোল পোর্ট থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই যশোরের এসআই রতন মিয়া।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করে গত ২৭ এপ্রিল রাতে গোপালগঞ্জ থেকে তরিকুল ইসলামকে আটক করা হয়, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সবুজ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই, তবে মামলার মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ার হোসেন সহ আরও কয়েকজন এখনো পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

গত শুক্রবার সকালে যশোর শহরের ২৫০ শয্যা হাসপাতাল এলাকা থেকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ তাকে আটক করে, ওই দিন বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন, মামলার তদন্তে স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে, পরে তাকে আটক করা হয়।