ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও আট মাসের ভাতিজিকে আছড়ে হত্যা গুলশানে গ্রেফতার সন্দ্বীপের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি মিতা যশোর প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর জাতিসংঘে বিশেষ দূত জুলি বিশপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ নিম্ন আয়ের দেশের ঋণঝুঁকি মূল্যায়নে নতুন কাঠামো আনছে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বুধবার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি গুলশান বিভাগের নতুন ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রুহুল কবীর খান মাদক সেবন ও কারবারে জড়িত মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল কারাগারে চাঁদা দাবির অভিযোগে বহিষ্কৃত কৃষক দল নেতা ফয়সাল যবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

মাদক সেবন ও কারবারে জড়িত মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল কারাগারে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মাদক সরবরাহ ও সেবনের অভিযোগে বরগুনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল রুবেল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের নজরদারির পর নিজ বিভাগের সদস্যদের অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পরে ডোপ টেস্টে তার শরীরে মাদকের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর আদালত তাকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

রুবেল হোসেন বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক এলাকার বাসিন্দা। তিনি বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বরগুনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক কারবারিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। তিনি বরগুনায় মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত—এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে বেশ কিছুদিন ধরে নজরদারিতে রাখা হয়।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রবিবার রুবেল হোসেন ঢাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে বরগুনায় আসছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেতাগীর চান্দখালী বাজারের সামনে চেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে তাকে থামানোর চেষ্টা করলে তিনি একটি সরু গলি দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। তবে আটকের সময় তার কাছে থাকা ব্যাগটি পাওয়া যায়নি, ফলে ওই ব্যাগে মাদক ছিল কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বরগুনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হামিমুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় রুবেল হোসেন ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেছেন। সোমবার বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে তার ডোপ টেস্ট করা হলে শরীরে মাদকের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদক সেবন ও কারবারে জড়িত মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল কারাগারে

আপডেট সময় : ০৭:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাদক সরবরাহ ও সেবনের অভিযোগে বরগুনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল রুবেল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের নজরদারির পর নিজ বিভাগের সদস্যদের অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পরে ডোপ টেস্টে তার শরীরে মাদকের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর আদালত তাকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

রুবেল হোসেন বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক এলাকার বাসিন্দা। তিনি বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বরগুনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক কারবারিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। তিনি বরগুনায় মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত—এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে বেশ কিছুদিন ধরে নজরদারিতে রাখা হয়।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রবিবার রুবেল হোসেন ঢাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে বরগুনায় আসছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেতাগীর চান্দখালী বাজারের সামনে চেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে তাকে থামানোর চেষ্টা করলে তিনি একটি সরু গলি দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। তবে আটকের সময় তার কাছে থাকা ব্যাগটি পাওয়া যায়নি, ফলে ওই ব্যাগে মাদক ছিল কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বরগুনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হামিমুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় রুবেল হোসেন ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেছেন। সোমবার বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে তার ডোপ টেস্ট করা হলে শরীরে মাদকের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin