ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত-জাপান ম্যাচে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন তৈরি হলো বিতর্ক জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ২০ টাকা বাড়ানোর বিকল্প যেখানে ছিল মহেশখালীতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবক নিহত গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকে কীভাবে: প্রশ্ন টিআইবির ভিয়েতনামি কালো ধানে বোচাগঞ্জে নতুন স্বপ্নের পথে রকিবুল বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা তুলে ধরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানিতে এখনো পিছিয়ে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসে আবারও সোনা জিতল ভারতের মেয়েরা রেফারি মন্তব্যে শাস্তি থেকে বাঁচলেন রিয়াল কোচ মরিনিও নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল হবে: সড়কমন্ত্রী

১১২ কোটি টাকার চেক জালিয়াতির মামলায় জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



১১২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই জামিনের আদেশ প্রদান করেন।

মামলাটির নথিপত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অফ বাংলাদেশের (এক্সিম ব্যাংক) পক্ষে উজ্জ্বল মন্ডল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার পর গত ৭ মে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এই মামলায় অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

মামলাটিতে মোট ১০ জন ব্যক্তি এবং পাঁচটি কোম্পানির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আসামিদের তালিকায় আরও রয়েছেন আহমেদ সইয়ন ফজলুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইমরান মন্ডল, মো. লুৎফর রহমান, মোসা. মাশকুরা খানাম, মো. সাইফুর রহমান, আবু নাঈম মোহাম্মদ সেলেহীন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান তানভীর এবং এ এস এফ রহমান। এছাড়া বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেড, স্ক্যাপ হোল্ডিং লিমিটেড, এসএফ আর হোল্ডিং লিমিটেড, এএসআর হোল্ডিং লিমিটেড এবং বেক্সিমকো হোল্ডিং লিমিটেডের প্রতিনিধিরাও মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত আছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যাংকের বারবার তাগিদের প্রেক্ষিতে বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেডের পক্ষ থেকে ১১২ কোটি টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর চেকটি এক্সিম ব্যাংকের হেড অফিস কর্পোরেট শাখায় জমা দেওয়া হলে ব্যাংক তা ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ বা ‘Insufficient Fund’ উল্লেখ করে ফেরত দেয়। এরপর ২৬ নভেম্বর নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ও ১৪০ ধারার বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে চেকের অর্থ পরিশোধের সময় দেওয়া হলেও আসামিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পরিশোধ করেননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

১১২ কোটি টাকার চেক জালিয়াতির মামলায় জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

১১২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই জামিনের আদেশ প্রদান করেন।

মামলাটির নথিপত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অফ বাংলাদেশের (এক্সিম ব্যাংক) পক্ষে উজ্জ্বল মন্ডল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার পর গত ৭ মে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এই মামলায় অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

মামলাটিতে মোট ১০ জন ব্যক্তি এবং পাঁচটি কোম্পানির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আসামিদের তালিকায় আরও রয়েছেন আহমেদ সইয়ন ফজলুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইমরান মন্ডল, মো. লুৎফর রহমান, মোসা. মাশকুরা খানাম, মো. সাইফুর রহমান, আবু নাঈম মোহাম্মদ সেলেহীন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান তানভীর এবং এ এস এফ রহমান। এছাড়া বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেড, স্ক্যাপ হোল্ডিং লিমিটেড, এসএফ আর হোল্ডিং লিমিটেড, এএসআর হোল্ডিং লিমিটেড এবং বেক্সিমকো হোল্ডিং লিমিটেডের প্রতিনিধিরাও মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত আছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যাংকের বারবার তাগিদের প্রেক্ষিতে বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেডের পক্ষ থেকে ১১২ কোটি টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর চেকটি এক্সিম ব্যাংকের হেড অফিস কর্পোরেট শাখায় জমা দেওয়া হলে ব্যাংক তা ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ বা ‘Insufficient Fund’ উল্লেখ করে ফেরত দেয়। এরপর ২৬ নভেম্বর নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ও ১৪০ ধারার বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে চেকের অর্থ পরিশোধের সময় দেওয়া হলেও আসামিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পরিশোধ করেননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy