ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্রান্সে নজিরবিহীন ছাত্রবিক্ষোভ, অবরুদ্ধ দুই হাজার স্কুল এবারের দুর্গাপূজা বর্তমান সরকারের জন্য অগ্নিপরীক্ষা: ডিএমপি কমিশনার বরিশাল আদালত ভবন থেকে পড়ে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু অপ্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর মানবিক উদ্যোগ নিয়োগপত্র পেয়েও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেননি ৯১৮ জন শিশু একাডেমির অনুষ্ঠানে ‘জাইমা’ পরিচয়ে চমকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নজিরবিহীন ছাত্রবিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, আটক ৫ সহস্রাধিক শিশুদের নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কৃত্রিম সংকটে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি: তীব্র মূল্যস্ফীতিতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ সাপাহারে চারজনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় প্রতিহত

মুসলিমদের নিশানা করে ধর্মভিত্তিক তথ্য চাইছে কমিশন: অভিযোগ ওয়াইসির

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের গঠিত ডেমোগ্রাফি কমিশন গাড়ি নিবন্ধন ও সম্পত্তি কেনাবেচা সংক্রান্ত ধর্ম-ভিত্তিক তথ্য চেয়ে মুসলিমদের লক্ষ্যবস্তু করছে বলে অভিযোগ করেছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন।

ওয়াইসি বলেন, যখন আমরা মোদী সরকারের কাছে মুসলিমদের শিক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহের দাবি জানিয়েছিলাম, তখন সরকার তাৎক্ষণিকভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। অথচ অমিত শাহের ‘ডেমোগ্রাফি কমিশন’ এখন রাজ্যগুলোর কাছে জানতে চাইছে কোন ধর্মের মানুষ কতগুলো গাড়ি কিনেছে এবং কার কত জমি আছে। তার দাবি, উন্নত নীতি প্রণয়ন করা এই কমিশনের উদ্দেশ্য নয়, বরং এই তথ্যকে বিকৃত করে মুসলিমদের টার্গেট করা এবং তাদের অবশিষ্ট অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনসংখ্যাগত পরিবর্তনবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের কমিটি (এইচএলসিডিসি) গত ১৫ বছরের ধর্মভিত্তিক জন্মনিবন্ধন, গাড়ি নিবন্ধন, স্কুলে ভর্তি ও সম্পত্তি লেনদেনের তথ্য চেয়েছে। এছাড়া জেলা অনুযায়ী ধর্মীয় স্থাপনার সংখ্যা এবং আধার, ভোটার পরিচয়পত্র ও রেশন কার্ড নিবন্ধনে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির তথ্যও চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কমিটি তফসিলি উপজাতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ধর্মান্তর নিয়ে গোয়েন্দা মূল্যায়ন, বিভিন্ন কমিশনের প্রতিবেদন এবং কার্যকর আটককেন্দ্রগুলোর তথ্যও তলব করেছে।

গত ২৬ মে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবৈধ অভিবাসনসহ অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে সৃষ্ট জনসংখ্যাগত পরিবর্তন পর্যালোচনা ও তা মোকাবিলায় সুপারিশের জন্য এইচএলসিডিসি গঠন করে। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকরকে এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে ওয়াইসি অভিযোগ করেছিলেন যে, এই কমিটি জনসংখ্যাগত পরিবর্তন ঘটেছে এমন এলাকাগুলোতে যাবে। তিনি দাবি করেন, বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) শেষ হওয়া এলাকাগুলোতে গিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা পর্যালোচনা করা হবে এবং এর মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করার নামে হয়রানি করা হতে পারে।

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ২০আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ২১

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মুসলিমদের নিশানা করে ধর্মভিত্তিক তথ্য চাইছে কমিশন: অভিযোগ ওয়াইসির

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের গঠিত ডেমোগ্রাফি কমিশন গাড়ি নিবন্ধন ও সম্পত্তি কেনাবেচা সংক্রান্ত ধর্ম-ভিত্তিক তথ্য চেয়ে মুসলিমদের লক্ষ্যবস্তু করছে বলে অভিযোগ করেছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন।

ওয়াইসি বলেন, যখন আমরা মোদী সরকারের কাছে মুসলিমদের শিক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহের দাবি জানিয়েছিলাম, তখন সরকার তাৎক্ষণিকভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। অথচ অমিত শাহের ‘ডেমোগ্রাফি কমিশন’ এখন রাজ্যগুলোর কাছে জানতে চাইছে কোন ধর্মের মানুষ কতগুলো গাড়ি কিনেছে এবং কার কত জমি আছে। তার দাবি, উন্নত নীতি প্রণয়ন করা এই কমিশনের উদ্দেশ্য নয়, বরং এই তথ্যকে বিকৃত করে মুসলিমদের টার্গেট করা এবং তাদের অবশিষ্ট অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনসংখ্যাগত পরিবর্তনবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের কমিটি (এইচএলসিডিসি) গত ১৫ বছরের ধর্মভিত্তিক জন্মনিবন্ধন, গাড়ি নিবন্ধন, স্কুলে ভর্তি ও সম্পত্তি লেনদেনের তথ্য চেয়েছে। এছাড়া জেলা অনুযায়ী ধর্মীয় স্থাপনার সংখ্যা এবং আধার, ভোটার পরিচয়পত্র ও রেশন কার্ড নিবন্ধনে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির তথ্যও চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কমিটি তফসিলি উপজাতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ধর্মান্তর নিয়ে গোয়েন্দা মূল্যায়ন, বিভিন্ন কমিশনের প্রতিবেদন এবং কার্যকর আটককেন্দ্রগুলোর তথ্যও তলব করেছে।

গত ২৬ মে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবৈধ অভিবাসনসহ অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে সৃষ্ট জনসংখ্যাগত পরিবর্তন পর্যালোচনা ও তা মোকাবিলায় সুপারিশের জন্য এইচএলসিডিসি গঠন করে। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকরকে এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে ওয়াইসি অভিযোগ করেছিলেন যে, এই কমিটি জনসংখ্যাগত পরিবর্তন ঘটেছে এমন এলাকাগুলোতে যাবে। তিনি দাবি করেন, বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) শেষ হওয়া এলাকাগুলোতে গিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা পর্যালোচনা করা হবে এবং এর মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করার নামে হয়রানি করা হতে পারে।

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ২০আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ২১

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh