ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়োগপত্র পেয়েও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেননি ৯১৮ জন শিশু একাডেমির অনুষ্ঠানে ‘জাইমা’ পরিচয়ে চমকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নজিরবিহীন ছাত্রবিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, আটক ৫ সহস্রাধিক শিশুদের নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কৃত্রিম সংকটে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি: তীব্র মূল্যস্ফীতিতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ সাপাহারে চারজনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় প্রতিহত চট্টগ্রাম বন্দরে ছবি ও ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কর্তৃপক্ষ ঈশ্বরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস দৌলতখানে গ্রামীণ সড়ক মাস্টারপ্ল্যান ও তথ্য যাচাই বিষয়ক কর্মশালা আনোয়ারায় অস্ত্র হাতে ভাইরাল ও ছাত্র আন্দোলনে হামলার আসামি শিবলু গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা করছে আল-কায়েদা, সতর্কবার্তা জাতিসংঘের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-কায়েদা বাংলাদেশে সক্রিয় সেল গঠনের মাধ্যমে তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ। সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের নিরাপত্তা বিষয়ক ৩৮তম প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটির মতে, আন্তর্জাতিক এই জঙ্গি সংগঠনটি দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে নতুন কৌশল অবলম্বন করছে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’ গত ১০ আগস্ট এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ বা একিউআইএস এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো গোষ্ঠী নয়, বরং একটি আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে রূপ নিয়েছে। তারা বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ও ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সেলের মাধ্যমে কাজ করছে এবং লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে যে, একিউআইএস বাংলাদেশকে তাদের সেল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।

একিউআইএসের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে ১০ নভেম্বর ২০২৫ সালে দিল্লির লাল কেল্লার সামনের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে এই ঘটনার পেছনেও সংগঠনটির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

এছাড়া, আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল) উভয়ই দীর্ঘ সময় ধরে রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র তৈরির বিষয়ে গভীর আগ্রহ দেখিয়ে আসছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত তারা কারিগরি চ্যালেঞ্জগুলো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়নি। আইএসআইএলের তৎপরতা সম্পর্কে বলা হয়, ২০২৫ সালের শেষ দিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আইএসআইএলের সঙ্গে জড়িত তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে, যাদের মধ্যে একজন ডাক্তারও ছিলেন। তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘রাইসিন’ নামে এক ধরনের রাসায়নিক বিষ তৈরির। এছাড়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় বাসার আল আসাদ সরকারের রাসায়নিক দ্রব্য দখলের জন্য তারা একজন রসায়ন প্রকৌশলীকে অপহরণও করেছিল।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আইএসআইএলের কার্যক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেলেও তারা বিক্ষিপ্ত সেল, অনলাইন নিয়োগ এবং উগ্রবাদে আগ্রহী ব্যক্তিদের অনুপ্রাণিত করার মাধ্যমে ঝুঁকি তৈরি করে চলেছে। গত বছর ১৪ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে ইহুদিদের হানুক্কা উৎসবে ১৬ জনকে হত্যার পেছনেও আইএসআইএলের মতাদর্শে অনুপ্রাণিত ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা করছে আল-কায়েদা, সতর্কবার্তা জাতিসংঘের

আপডেট সময় : ০৮:৫২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-কায়েদা বাংলাদেশে সক্রিয় সেল গঠনের মাধ্যমে তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ। সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের নিরাপত্তা বিষয়ক ৩৮তম প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটির মতে, আন্তর্জাতিক এই জঙ্গি সংগঠনটি দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে নতুন কৌশল অবলম্বন করছে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’ গত ১০ আগস্ট এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ বা একিউআইএস এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো গোষ্ঠী নয়, বরং একটি আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে রূপ নিয়েছে। তারা বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ও ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সেলের মাধ্যমে কাজ করছে এবং লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে যে, একিউআইএস বাংলাদেশকে তাদের সেল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।

একিউআইএসের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে ১০ নভেম্বর ২০২৫ সালে দিল্লির লাল কেল্লার সামনের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে এই ঘটনার পেছনেও সংগঠনটির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

এছাড়া, আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল) উভয়ই দীর্ঘ সময় ধরে রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র তৈরির বিষয়ে গভীর আগ্রহ দেখিয়ে আসছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত তারা কারিগরি চ্যালেঞ্জগুলো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়নি। আইএসআইএলের তৎপরতা সম্পর্কে বলা হয়, ২০২৫ সালের শেষ দিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আইএসআইএলের সঙ্গে জড়িত তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে, যাদের মধ্যে একজন ডাক্তারও ছিলেন। তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘রাইসিন’ নামে এক ধরনের রাসায়নিক বিষ তৈরির। এছাড়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় বাসার আল আসাদ সরকারের রাসায়নিক দ্রব্য দখলের জন্য তারা একজন রসায়ন প্রকৌশলীকে অপহরণও করেছিল।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আইএসআইএলের কার্যক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেলেও তারা বিক্ষিপ্ত সেল, অনলাইন নিয়োগ এবং উগ্রবাদে আগ্রহী ব্যক্তিদের অনুপ্রাণিত করার মাধ্যমে ঝুঁকি তৈরি করে চলেছে। গত বছর ১৪ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে ইহুদিদের হানুক্কা উৎসবে ১৬ জনকে হত্যার পেছনেও আইএসআইএলের মতাদর্শে অনুপ্রাণিত ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin