ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গোমস্তাপুরে কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে মাছ ধরার বোটে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি জব্দ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও আলতাফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘দেশ স্বাধীন হবেই’ সরবরাহ কমিয়ে বোতলজাত সয়াবিনের কৃত্রিম সংকট, বাজারে বাড়তি দাম মানুষ কষ্টে আছে, দেশে নিরাপত্তা নেই: জামায়াত আমীর নেশনস লিগে স্পেনের টানা তৃতীয় জয়, আবারও ঝলক ইয়ামালের চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ ব্যর্থ: চাঁদাবাজি ও ভুল পরিকল্পনায় জিম্মি সড়ক শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না: ভারতীয় হাইকমিশনার গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ছাদে আটকা পড়া ৭০ জন উদ্ধার

‘কারও জুতোয় পা না গলালে যন্ত্রণা বোঝা যায় না’: কৌশানী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দীর্ঘদিনের অবিরাম পরিশ্রম আর লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে টালিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের তালিকায় নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন কৌশানী মুখার্জি। আসন্ন দুর্গাপূজায় মুক্তি পেতে যাওয়া ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ সিনেমায় ‘ঝিমলি’ চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই সিনেমার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা, পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখার্জির সঙ্গে সম্পর্ক, ক্যারিয়ারের চড়াই-উতরাই এবং নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মন খুলে কথা বলেছেন তিনি।

সিনেমার সিক্যুয়েল বা দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে কাজের চাপ ও প্রত্যাশা প্রসঙ্গে কৌশানী জানান, প্রথম পর্বের চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ সেটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন। তবে দ্বিতীয় পর্বে এসে চরিত্রটি মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়ায় দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। এই কাজের প্রস্তুতির জন্য তিনি প্রথম পর্বটি বারবার দেখেছেন এবং ভাষার সঠিক উচ্চারণ রপ্ত করেছেন। এছাড়া চরিত্রটির জন্য দীর্ঘ সময় ধরে মেকআপ নেওয়া এবং তীব্র গরমে শুটিং করার কষ্টের কথাও তিনি স্মরণ করেন।

পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখার্জির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে কৌশানী জানান, শুটিংয়ের সময় তাদের মধ্যে খুনসুটির পাশাপাশি ঝগড়াও হতো। একবার একটি নির্দিষ্ট হেয়ারস্টাইল নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কারণে শুটিং শুরুর আগে তাদের কথা বলা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে অভিনয়ের ক্ষেত্রে শিবপ্রসাদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ক্যামেরার সামনে শিবুদা একাই পুরো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন এবং তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। মজার ছলে তিনি আরও বলেন, বন্ধু হিসেবে তিনি চান শিবপ্রসাদ নিজেকে আরেকটু আপডেট করুন।

নিজের স্বভাব ও জীবনের পরিবর্তন নিয়ে কৌশানী জানান, ছোটবেলায় তিনি অত্যন্ত শান্ত ও লাজুক প্রকৃতির ছিলেন এবং সহজেই কেঁদে ফেলতেন। তবে জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তাকে বদলে দিয়েছে, এখন কোনো ভুল দেখলে তিনি আর চুপ থাকেন না। ক্যারিয়ারের একপর্যায়ে কাজ না পেয়ে সমালোচনার শিকার হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমালোচনা করা সহজ, কিন্তু কারও জুতোয় পা না গলালে তার ভেতরের যন্ত্রণা বোঝা যায় না। একঘেয়ে রিমেক ছবির সময়ে নায়িকাদের কাজের সুযোগ সীমিত থাকলেও, এখন সময় বদলেছে এবং তিনি নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছেন।

অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কৌশানী অত্যন্ত স্পষ্টভাষী। তিনি জানান, বনির সাফল্যে তার মনে কখনোই কোনো ইনসিকিউরিটি বা নিরাপত্তাহীনতা কাজ করে না। তারা একসঙ্গে বড় হয়েছেন এবং কঠিন সময়ে সবসময় একে অপরের পাশে থেকেছেন। কৌশানী মনে-প্রাণে চান বনি যেন ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ স্থানে পৌঁছাতে পারেন। পাশাপাশি, নিজের বাবাকে একটি বাড়ি উপহার দিতে পারার আনন্দের কথা জানান তিনি। তার বাবা যে তার সবচেয়ে বড় সমর্থক এবং ‘ইন-হাউজ পিআর’, সে কথাও গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন পূজার পরিকল্পনা নিয়ে কৌশানী জানান, সপ্তমী পর্যন্ত সিনেমার প্রচার ও কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন তিনি। তবে অষ্টমীর পর থেকে তিনি আর কারও ফোন ধরবেন না এবং পুরো সময়টা একান্তই নিজের পরিবারের সঙ্গে কাটাবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

‘কারও জুতোয় পা না গলালে যন্ত্রণা বোঝা যায় না’: কৌশানী

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘদিনের অবিরাম পরিশ্রম আর লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে টালিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের তালিকায় নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন কৌশানী মুখার্জি। আসন্ন দুর্গাপূজায় মুক্তি পেতে যাওয়া ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ সিনেমায় ‘ঝিমলি’ চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই সিনেমার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা, পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখার্জির সঙ্গে সম্পর্ক, ক্যারিয়ারের চড়াই-উতরাই এবং নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মন খুলে কথা বলেছেন তিনি।

সিনেমার সিক্যুয়েল বা দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে কাজের চাপ ও প্রত্যাশা প্রসঙ্গে কৌশানী জানান, প্রথম পর্বের চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ সেটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন। তবে দ্বিতীয় পর্বে এসে চরিত্রটি মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়ায় দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। এই কাজের প্রস্তুতির জন্য তিনি প্রথম পর্বটি বারবার দেখেছেন এবং ভাষার সঠিক উচ্চারণ রপ্ত করেছেন। এছাড়া চরিত্রটির জন্য দীর্ঘ সময় ধরে মেকআপ নেওয়া এবং তীব্র গরমে শুটিং করার কষ্টের কথাও তিনি স্মরণ করেন।

পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখার্জির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে কৌশানী জানান, শুটিংয়ের সময় তাদের মধ্যে খুনসুটির পাশাপাশি ঝগড়াও হতো। একবার একটি নির্দিষ্ট হেয়ারস্টাইল নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কারণে শুটিং শুরুর আগে তাদের কথা বলা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে অভিনয়ের ক্ষেত্রে শিবপ্রসাদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ক্যামেরার সামনে শিবুদা একাই পুরো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন এবং তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। মজার ছলে তিনি আরও বলেন, বন্ধু হিসেবে তিনি চান শিবপ্রসাদ নিজেকে আরেকটু আপডেট করুন।

নিজের স্বভাব ও জীবনের পরিবর্তন নিয়ে কৌশানী জানান, ছোটবেলায় তিনি অত্যন্ত শান্ত ও লাজুক প্রকৃতির ছিলেন এবং সহজেই কেঁদে ফেলতেন। তবে জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তাকে বদলে দিয়েছে, এখন কোনো ভুল দেখলে তিনি আর চুপ থাকেন না। ক্যারিয়ারের একপর্যায়ে কাজ না পেয়ে সমালোচনার শিকার হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমালোচনা করা সহজ, কিন্তু কারও জুতোয় পা না গলালে তার ভেতরের যন্ত্রণা বোঝা যায় না। একঘেয়ে রিমেক ছবির সময়ে নায়িকাদের কাজের সুযোগ সীমিত থাকলেও, এখন সময় বদলেছে এবং তিনি নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছেন।

অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কৌশানী অত্যন্ত স্পষ্টভাষী। তিনি জানান, বনির সাফল্যে তার মনে কখনোই কোনো ইনসিকিউরিটি বা নিরাপত্তাহীনতা কাজ করে না। তারা একসঙ্গে বড় হয়েছেন এবং কঠিন সময়ে সবসময় একে অপরের পাশে থেকেছেন। কৌশানী মনে-প্রাণে চান বনি যেন ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ স্থানে পৌঁছাতে পারেন। পাশাপাশি, নিজের বাবাকে একটি বাড়ি উপহার দিতে পারার আনন্দের কথা জানান তিনি। তার বাবা যে তার সবচেয়ে বড় সমর্থক এবং ‘ইন-হাউজ পিআর’, সে কথাও গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন পূজার পরিকল্পনা নিয়ে কৌশানী জানান, সপ্তমী পর্যন্ত সিনেমার প্রচার ও কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন তিনি। তবে অষ্টমীর পর থেকে তিনি আর কারও ফোন ধরবেন না এবং পুরো সময়টা একান্তই নিজের পরিবারের সঙ্গে কাটাবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh