ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাতৃদুগ্ধ পানের হার কমছে, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে শিশুরা ইসলামের দৃষ্টিতে যুব উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার উপায় সিলেট বিভাগে হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১৩, মৃত্যু ২ মোরগ কেন ভোরে ডাকে? এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ আগস্ট মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের দুই দফায় ৮ দিন ছুটির সুযোগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা লড়ার পথে জামায়াত, অন্য দলগুলোর ভিন্ন চিন্তা ১৮ মাস বিচারকহীন পটিয়া চৌকি আদালত, ৯ হাজার মামলা জটে স্থবির দেশের ৭ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সংকেত পুঁজিবাজারের সব প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ ডিএসইর সাবেক সিআরও খায়রুল বাশার তীব্র তোপের মুখে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের পরিকল্পনা বাতিল করল ফিফা

পুঁজিবাজারের সব প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ ডিএসইর সাবেক সিআরও খায়রুল বাশার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) মো. খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদকে দেশের পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক পদে নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক আদেশের মাধ্যমে কমিশন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। বিএসইসির ভাষ্যমতে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা ও গাফিলতির কারণেই এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশনের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই আদেশ জারির দিন থেকেই খায়রুল বাশার দেশের সব স্টক এক্সচেঞ্জ, বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং বিএসইসির নিয়ন্ত্রিত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

বিএসইসি জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ মে মশিহর সিকিউরিটিজ লিমিটেডসহ মোট সাতটি ট্রেকধারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সে সময় ডিএসইর সিআরও হিসেবে খায়রুল বাশার ওই পরিদর্শনের দায়িত্বে ছিলেন। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ হন, যা প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে কমিশন জানিয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ডিএসইর সিআরও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মশিহর সিকিউরিটিজসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। নিয়মিত পরিদর্শন ও কার্যকর তদারকির অভাবই এসব অনিয়ম দীর্ঘ সময় আড়ালে থাকার মূল কারণ বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, মশিহর সিকিউরিটিজ কেলেঙ্কারিতে বিনিয়োগকারীদের ১৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা দেশের শেয়ারবাজারের অন্যতম বড় জালিয়াতি।

এ ছাড়া নজরদারির ঘাটতির কারণে পিএফআই সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ ও বানকো সিকিউরিটিজে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের তথ্যমতে, বানকো সিকিউরিটিজ থেকে ১৩৬ কোটি ৮৪ লাখ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ থেকে ৬২ কোটি ৯৮ লাখ এবং তামহা সিকিউরিটিজ থেকে ৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। বিএসইসি বলছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

পুঁজিবাজারের সব প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ ডিএসইর সাবেক সিআরও খায়রুল বাশার

আপডেট সময় : ১০:২১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
print news

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) মো. খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদকে দেশের পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক পদে নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক আদেশের মাধ্যমে কমিশন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। বিএসইসির ভাষ্যমতে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা ও গাফিলতির কারণেই এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশনের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই আদেশ জারির দিন থেকেই খায়রুল বাশার দেশের সব স্টক এক্সচেঞ্জ, বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং বিএসইসির নিয়ন্ত্রিত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

বিএসইসি জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ মে মশিহর সিকিউরিটিজ লিমিটেডসহ মোট সাতটি ট্রেকধারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সে সময় ডিএসইর সিআরও হিসেবে খায়রুল বাশার ওই পরিদর্শনের দায়িত্বে ছিলেন। তবে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ হন, যা প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে কমিশন জানিয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ডিএসইর সিআরও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মশিহর সিকিউরিটিজসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। নিয়মিত পরিদর্শন ও কার্যকর তদারকির অভাবই এসব অনিয়ম দীর্ঘ সময় আড়ালে থাকার মূল কারণ বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, মশিহর সিকিউরিটিজ কেলেঙ্কারিতে বিনিয়োগকারীদের ১৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা দেশের শেয়ারবাজারের অন্যতম বড় জালিয়াতি।

এ ছাড়া নজরদারির ঘাটতির কারণে পিএফআই সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ ও বানকো সিকিউরিটিজে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের তথ্যমতে, বানকো সিকিউরিটিজ থেকে ১৩৬ কোটি ৮৪ লাখ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ থেকে ৬২ কোটি ৯৮ লাখ এবং তামহা সিকিউরিটিজ থেকে ৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। বিএসইসি বলছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din