স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একা লড়ার পথে জামায়াত, অন্য দলগুলোর ভিন্ন চিন্তা

- আপডেট সময় : ১০:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১-দলীয় ঐক্যের অংশ হিসেবে অংশ নিলেও, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় স্থানীয় নির্বাচনে নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ খুঁজছে দলটি। তবে জোটের অন্য দলগুলোর কৌশল ভিন্ন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগস্টের শেষ দিকে বা সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। ১০ থেকে ১২ মাসে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, পরবর্তীতে সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনকে সব দলই সাংগঠনিক শক্তির পরীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ২০ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে সমঝোতা করতেই কয়েক মাস সময় লেগেছিল। তিনি জানান, স্থানীয় সরকারের বিপুলসংখ্যক পদে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে কখনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন জোটবদ্ধভাবে হয়নি। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোথাও সমঝোতা হলে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বাধা থাকবে না।
জোটভুক্ত অন্য দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস বিকল্প নির্বাচনী বোঝাপড়ার চিন্তা করছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দীর্ঘ আলোচনার পর আসন সমঝোতা হলেও প্রত্যাশার তুলনায় কম আসন পাওয়া নিয়ে অসন্তোষ ছিল ১১–দলীয় ঐক্যভুক্ত কয়েকটি দলের। ১০টি আসনে সমঝোতা হলেও দলটির দাবি ছিল আরও বেশি। সর্বশেষ ২৫ জুলাই খেলাফত মজলিস সিদ্ধান্ত জানায়, তারা আর ১১–দলীয় ঐক্যের কোনো কর্মসূচিতে যাবে না। খেলাফত মজলিসের নেতারা বলছেন, তাঁরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ২১ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, এনসিপি আপাতত এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে সাংগঠনিক অবস্থান এবং প্রার্থীদের পরিচিত করার চেষ্টা করছে। এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে একই পদে জামায়াত ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েমকে প্রস্তুত করছে। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ১১ দলের কেন্দ্রীয় জোট হওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতা হতে পারে।


























