ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কার অপেক্ষায় দিন গুনছেন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা? দেশে এখন ‘নির্লজ্জ দলীয়করণ’ চলছে: জামায়াত আমির শফিকুর রহমান মুম্বাইয়ের ভারসোভায় নতুন ফ্ল্যাট কিনলেন বিরাট-আনুশকা কুষ্টিয়ার পদ্মায় গভীর রাতে স্পিডবোটে গুলি, যুবক গুলিবিদ্ধ সিরাজগঞ্জে খামারের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ পাইকগাছায় শ্রেণিকক্ষ সংকটে তাঁবুর নিচে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান গ্যাসের দাম বাড়ালে পেট্রোবাংলা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আগে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সার্জিও গরের সাক্ষাৎ বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই: মির্জা ফখরুল সাতক্ষীরায় জামায়াত নেতাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

পাইকগাছায় শ্রেণিকক্ষ সংকটে তাঁবুর নিচে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ২৪ নম্বর মটবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের তাঁবুর নিচে ক্লাস করতে হচ্ছে। প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে বিদ্যালয়টিতে মাত্র পাঁচটি শ্রেণিকক্ষ থাকায় পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে নতুন ভবনের খোলা ছাদের ওপর তাঁবু টানিয়ে তৃতীয় শ্রেণির ৩৭ জন শিক্ষার্থীর ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুষমা রানি মণ্ডল জানান, কক্ষ সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই খোলা আকাশের নিচে এই বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন এবং দ্রুত নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানায়, তাঁবুর নিচে ক্লাস করতে গিয়ে তারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আবিদা হোসেন নাবিলা জানায়, বৃষ্টি নামলে তাঁবুর ভেতরে পানি ঢুকে বই-খাতা ভিজে যায়, যার ফলে অনেক সময় ক্লাস বন্ধ রাখতে হয়। রোদেও তাঁবুর নিচে প্রচণ্ড গরম অনুভূত হয়, যা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট করছে।

অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ভেজা পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকায় শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বর্ষাকালে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে তারা ভয় পাচ্ছেন। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন বলে তারা দাবি করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় দেবনাথ জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সাময়িকভাবে একটি শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, বিষয়টি তার নজরে আসেনি। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠালে এবং টিনের বরাদ্দ পাওয়া গেলে তা দিয়ে অস্থায়ীভাবে পাঠদানের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

পাইকগাছায় শ্রেণিকক্ষ সংকটে তাঁবুর নিচে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
print news

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ২৪ নম্বর মটবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের তাঁবুর নিচে ক্লাস করতে হচ্ছে। প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে বিদ্যালয়টিতে মাত্র পাঁচটি শ্রেণিকক্ষ থাকায় পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে নতুন ভবনের খোলা ছাদের ওপর তাঁবু টানিয়ে তৃতীয় শ্রেণির ৩৭ জন শিক্ষার্থীর ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুষমা রানি মণ্ডল জানান, কক্ষ সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই খোলা আকাশের নিচে এই বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন এবং দ্রুত নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানায়, তাঁবুর নিচে ক্লাস করতে গিয়ে তারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আবিদা হোসেন নাবিলা জানায়, বৃষ্টি নামলে তাঁবুর ভেতরে পানি ঢুকে বই-খাতা ভিজে যায়, যার ফলে অনেক সময় ক্লাস বন্ধ রাখতে হয়। রোদেও তাঁবুর নিচে প্রচণ্ড গরম অনুভূত হয়, যা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট করছে।

অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ভেজা পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকায় শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বর্ষাকালে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে তারা ভয় পাচ্ছেন। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন বলে তারা দাবি করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় দেবনাথ জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সাময়িকভাবে একটি শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, বিষয়টি তার নজরে আসেনি। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠালে এবং টিনের বরাদ্দ পাওয়া গেলে তা দিয়ে অস্থায়ীভাবে পাঠদানের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh