ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এআই-এর যুগেও নিজের অবস্থানে অনড় ‘লিপস্টিক কিং’ লি জিয়াকি টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের শুনানি আজ যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে পাকিস্তানের আবরার, পেছনে ফেললেন রশিদকে টানা সাত দিন কমল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম মহানবী (সা.)-এর ইনসাফ: মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ মুকসুদপুরে পৃথক স্থান থেকে নারীসহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচের দাম ৪০০ টাকা, অস্থির সবজির বাজার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে রাজধানীর কাঁচাবাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে গত দুই সপ্তাহে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচের দামে বড় ধরনের ঝাঁজ দেখা দিয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ কিনতে ক্রেতাদের ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে, যা স্থানীয় বাজারগুলোতেও প্রভাব ফেলেছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির ফলে ক্ষেত ও আড়তে কাঁচামাল পচে যাচ্ছে, যার ফলে সরবরাহ কমেছে। মগবাজারের ব্যবসায়ী মোশারফ জানান, মরিচের দাম অনেক বেশি হওয়ায় তাদের বাড়তি দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়; কারণ বিক্রি না হলে মরিচ দ্রুত পচে যায়। একই বাজারের ব্যবসায়ী শাহিন বলেন, বৃষ্টির কারণে মরিচের গাছ মরে যাচ্ছে, যার ফলে দাম বাড়লেও তাদের লাভের অংকে খুব একটা পরিবর্তন আসছে না। ব্যবসায়ীদের মতে, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং নতুন সবজি বাজারে এলে দাম কিছুটা কমতে পারে। কাঁচামরিচের এই উচ্চমূল্যের পেছনে ভারতীয় মরিচ আমদানি কমে যাওয়াকেও দায়ী করছেন অনেকে।

কাওরান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, জলাবদ্ধতার কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চল থেকে সবজির ট্রাক ঢাকায় আসতে পারছে না। আড়তে সবজির সরবরাহ অর্ধেকের নিচে নেমে আসায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

বাজারে অন্যান্য সবজির দামও চড়া। বেশিরভাগ সবজির দামই ১০০ টাকার ঘরে। বিভিন্ন প্রজাতির বেগুন ৮০ থেকে ১৫০ টাকা, করলা, বরবটি ও কাঁকরোল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, এবং ধুন্দুল, ঝিঙ্গে, চিচিঙ্গা, পটল ও ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে প্রতিটি লাউয়ের দাম ৭০ থেকে ৯০ টাকা এবং টমেটো ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মুরগি, ডিম ও পিয়াজের দাম গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। ফার্মের সাদা ডিম ডজনপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং পিয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচের দাম ৪০০ টাকা, অস্থির সবজির বাজার

আপডেট সময় : ০৮:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে রাজধানীর কাঁচাবাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে গত দুই সপ্তাহে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচের দামে বড় ধরনের ঝাঁজ দেখা দিয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ কিনতে ক্রেতাদের ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে, যা স্থানীয় বাজারগুলোতেও প্রভাব ফেলেছে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির ফলে ক্ষেত ও আড়তে কাঁচামাল পচে যাচ্ছে, যার ফলে সরবরাহ কমেছে। মগবাজারের ব্যবসায়ী মোশারফ জানান, মরিচের দাম অনেক বেশি হওয়ায় তাদের বাড়তি দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়; কারণ বিক্রি না হলে মরিচ দ্রুত পচে যায়। একই বাজারের ব্যবসায়ী শাহিন বলেন, বৃষ্টির কারণে মরিচের গাছ মরে যাচ্ছে, যার ফলে দাম বাড়লেও তাদের লাভের অংকে খুব একটা পরিবর্তন আসছে না। ব্যবসায়ীদের মতে, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং নতুন সবজি বাজারে এলে দাম কিছুটা কমতে পারে। কাঁচামরিচের এই উচ্চমূল্যের পেছনে ভারতীয় মরিচ আমদানি কমে যাওয়াকেও দায়ী করছেন অনেকে।

কাওরান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, জলাবদ্ধতার কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চল থেকে সবজির ট্রাক ঢাকায় আসতে পারছে না। আড়তে সবজির সরবরাহ অর্ধেকের নিচে নেমে আসায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

বাজারে অন্যান্য সবজির দামও চড়া। বেশিরভাগ সবজির দামই ১০০ টাকার ঘরে। বিভিন্ন প্রজাতির বেগুন ৮০ থেকে ১৫০ টাকা, করলা, বরবটি ও কাঁকরোল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, এবং ধুন্দুল, ঝিঙ্গে, চিচিঙ্গা, পটল ও ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে প্রতিটি লাউয়ের দাম ৭০ থেকে ৯০ টাকা এবং টমেটো ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মুরগি, ডিম ও পিয়াজের দাম গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। ফার্মের সাদা ডিম ডজনপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং পিয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin