যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু
- আপডেট সময় : ১০:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও তার স্ত্রীকে বিমানবন্দরে লাল গালিচা অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। ঐতিহাসিক এই তিন দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরের শুরুতে সামরিক বিমানের মহড়া দিয়ে শি জিনপিংকে স্বাগত জানানো হয়। অভ্যর্থনা শেষে ট্রাম্প ও শি ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে জয়েন্ট বেস অ্যানড্রুজ ত্যাগ করেন। হোয়াইট হাউসের এক সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন, যা এমন জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনেই স্পষ্ট।
দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝে এই সফরকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের মধ্যকার বাণিজ্য যুদ্ধের বিরতির মেয়াদ আগামী ১০ই জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছেছে। আগে এই বিরতির মেয়াদ নভেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক লিখিত বিবৃতিতে শি জিনপিং বলেছেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং অংশীদার হিসেবে কাজ করা।
এ সপ্তাহের আলোচনায় শুল্ক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইরান যুদ্ধ এবং তাইওয়ানের মতো বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ স্থান পাবে। বৃহস্পতিবার দুই নেতার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রযুক্তি ও এআই কোম্পানির নির্বাহীদের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন মাইক্রোসফটের সত্য নাদেলা, অ্যাপলের টিম কুক, ওপেনএআইয়ের স্যাম অল্টম্যান, এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং, আমাজনের জেফ বেজোস, টেসলার ইলন মাস্ক, গুগলের সুন্দর পিচাই, ডেল কম্পিউটারসের মাইকেল ডেল এবং সিটি ব্যাংকের জেন ফ্রেজার।
প্রযুক্তি ও এআই খাতের দ্রুত বিকাশের ফলে এই প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে আলোচনা চলছে, তা এই নৈশভোজে উঠে আসতে পারে। হুয়াং ও অল্টম্যানের মতো ব্যক্তিত্বরা এর আগে এআইয়ের সক্ষমতা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প নিজে এআই খাতে সরকারি হস্তক্ষেপের চেয়ে তুলনামূলক কম নিয়ন্ত্রণের পক্ষে মত দিয়ে আসছেন। শির এই সফরসঙ্গী হিসেবে চীনা সরকারের প্রভাবশালী কর্মকর্তা চাই ছি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই রয়েছেন। তবে ট্রাম্পের ‘মাগা’ সমর্থকদের একাংশের কাছ থেকে এই সফর নিয়ে কিছুটা ক্ষোভের আশঙ্কাও রয়েছে।



























