ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

চ্যালেঞ্জের মুখেও বাংলাদেশের অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে: এডিবি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বৈশ্বিক এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি তার স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সর্বশেষ ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬’ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, শক্তিশালী প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সেবা খাতের স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি এই অর্থনৈতিক সহনশীলতায় প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

এডিবি তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২৬ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ২০২৭ অর্থবছরে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রম এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে প্রবৃদ্ধির গতি আরও বেগবান হবে।

এডিবি’র বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আকিরা মাতসুনাগা বলেন, কঠিন অর্থনৈতিক পরিবেশের মধ্যেও রেমিট্যান্স ও সেবা খাতের অবদান অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রেখেছে। তিনি আরও যোগ করেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে ধারাবাহিক সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এসব পদক্ষেপ বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক শূন্য শতাংশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির সাথে সাথে ২০২৭ অর্থবছরে তা ধীরে ধীরে কমে ৮ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ব্যবসায়িক বিধি-বিধান সহজীকরণ, কর প্রশাসনের সংস্কার এবং রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত থাকলে ২০২৭ অর্থবছরে বেসরকারি ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী হবে বলে এডিবি মনে করছে।

পরিশেষে, প্রবৃদ্ধি টেকসই রাখা এবং বহিরাগত অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও নীতিগত সংস্কার বজায় রাখা অপরিহার্য বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চ্যালেঞ্জের মুখেও বাংলাদেশের অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে: এডিবি

আপডেট সময় : ০৪:৩১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বৈশ্বিক এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি তার স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সর্বশেষ ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬’ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, শক্তিশালী প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সেবা খাতের স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি এই অর্থনৈতিক সহনশীলতায় প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

এডিবি তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২৬ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ২০২৭ অর্থবছরে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রম এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে প্রবৃদ্ধির গতি আরও বেগবান হবে।

এডিবি’র বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আকিরা মাতসুনাগা বলেন, কঠিন অর্থনৈতিক পরিবেশের মধ্যেও রেমিট্যান্স ও সেবা খাতের অবদান অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রেখেছে। তিনি আরও যোগ করেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করার লক্ষ্যে ধারাবাহিক সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এসব পদক্ষেপ বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক শূন্য শতাংশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির সাথে সাথে ২০২৭ অর্থবছরে তা ধীরে ধীরে কমে ৮ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ব্যবসায়িক বিধি-বিধান সহজীকরণ, কর প্রশাসনের সংস্কার এবং রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত থাকলে ২০২৭ অর্থবছরে বেসরকারি ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী হবে বলে এডিবি মনে করছে।

পরিশেষে, প্রবৃদ্ধি টেকসই রাখা এবং বহিরাগত অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও নীতিগত সংস্কার বজায় রাখা অপরিহার্য বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।