ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১১ বছর ধরে বন্ধ এমআরআই, দিনাজপুর মেডিকেলে ব্যাহত চিকিৎসাসেবা ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিলাই শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করলেন রিজভী মাদারগঞ্জে আরও দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাপেক্স শিক্ষকদের বেতন সংকটে বন্ধ লামার মিরিঞ্জা প্রাথমিক বিদ্যালয় সিরাজগঞ্জে তিন মাদক মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক মানচিত্রে ‘লিটল ইতালি’ বাদ, নিউইয়র্কের তহবিল বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে রাশিয়ার জ্বালানি: পুতিন নারায়ণগঞ্জে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে ওয়ালটনের সাথে চুক্তি

ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের চুল কাটালেন স্কুল সভাপতি, অভিভাবকদের সঙ্গে হাতাহাতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মামুনুর রশিদ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ডেকে এনে বাইরে থেকে নাপিত ডেকে তাদের চুল কাটাতে বাধ্য করেন। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন। একপর্যায়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অভিভাবকদের কথা-কাটাকাটি হয়, যা পরে হাতাহাতি ও হট্টগোলে রূপ নেয়।

ভুক্তভোগী অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফিন হোসেন ও সাকিন হোসেন জানায়, তাদের কয়েকজনকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক পাশের বাজার থেকে আনা নাপিতের মাধ্যমে চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার শিকার এক শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল মালেক মোল্লা অভিযোগ করেন, সভাপতি অতি-কর্তৃত্ব দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মামুনুর রশিদ জানান, বুধবার অভিভাবকদের নিয়ে একটি মিটিং করা হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, যেসব শিক্ষার্থী এলোমেলো চুল রাখে তাদের চুল সুন্দর করে কেটে দেওয়া হবে এবং অসংগতিপূর্ণ ফেস মাস্ক পরা বন্ধ করা হবে। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের ভালোর জন্যই তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং হাতাহাতির ঘটনাটি একজন অভিভাবকের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের ফল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও সভাপতি ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই এটি করেছিলেন। বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, তিনি বিষয়টি আগে জানতেন না, তবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইনগতভাবে শিক্ষার্থীদের জোর করে চুল কেটে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের চুল কাটালেন স্কুল সভাপতি, অভিভাবকদের সঙ্গে হাতাহাতি

আপডেট সময় : ১০:২৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মামুনুর রশিদ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ডেকে এনে বাইরে থেকে নাপিত ডেকে তাদের চুল কাটাতে বাধ্য করেন। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন। একপর্যায়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অভিভাবকদের কথা-কাটাকাটি হয়, যা পরে হাতাহাতি ও হট্টগোলে রূপ নেয়।

ভুক্তভোগী অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফিন হোসেন ও সাকিন হোসেন জানায়, তাদের কয়েকজনকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক পাশের বাজার থেকে আনা নাপিতের মাধ্যমে চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার শিকার এক শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল মালেক মোল্লা অভিযোগ করেন, সভাপতি অতি-কর্তৃত্ব দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মামুনুর রশিদ জানান, বুধবার অভিভাবকদের নিয়ে একটি মিটিং করা হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, যেসব শিক্ষার্থী এলোমেলো চুল রাখে তাদের চুল সুন্দর করে কেটে দেওয়া হবে এবং অসংগতিপূর্ণ ফেস মাস্ক পরা বন্ধ করা হবে। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের ভালোর জন্যই তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং হাতাহাতির ঘটনাটি একজন অভিভাবকের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের ফল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও সভাপতি ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই এটি করেছিলেন। বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, তিনি বিষয়টি আগে জানতেন না, তবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইনগতভাবে শিক্ষার্থীদের জোর করে চুল কেটে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo