ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে শিল্প ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে দুটি পৃথক প্রদর্শনী যুক্তরাজ্যকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’ বললেন নেতানিয়াহু মুন্সীগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি-বার্ষিক জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত জামায়াত সমাজ নষ্ট করছে, মন্তব্য মাদারীপুর-৩ আসনের এমপির নেত্রকোনায় কবরস্থানের দখল নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২০, এলাকায় উত্তেজনা আড়াইহাজারে কৃষক দল নেতার বাড়িতে হামলা-লুটপাট, নারীসহ আহত ৫ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে ৭ সেনার মৃত্যুর দাবি ভুয়া: সেন্টকম তারেক রহমানের ভারত সফর: চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে ঢাকার বিশেষ প্রত্যাশা ভারতের প্রতি বাংলাদেশিদের ইতিবাচক মনোভাব ১৫ শতাংশ কমেছে বিমান মন্ত্রণালয়ে সিন্ডিকেট দূর করার চেষ্টা চলছে: আফরোজা খানম

সরকারি অর্থের অপচয় রোধে বিদেশ ভ্রমণ ও গাড়ি কেনায় কড়াকড়ি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু খাতে ব্যয় বন্ধ বা সীমিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশনা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সরকারি খাতের করপোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে প্রযোজ্য হবে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের আওতায় সরকারি অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিদেশি সরকার বা প্রতিষ্ঠানের বৃত্তি বা ফেলোশিপের আওতায় স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট পর্যায়ের পড়াশোনার জন্য বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ থাকবে। এছাড়া বিদেশি অর্থায়নে আয়োজিত প্রশিক্ষণ বা কর্মশালায় অংশ নেওয়া যাবে। পণ্য জাহাজীকরণের পূর্বপর্যায়ের পরিদর্শন বা কারখানায় গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ বা কারিগরিভাবে সনদপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, তবে এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষা সম্পন্ন করাকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।

পরিবহন খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সব ধরনের মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা বন্ধ থাকবে। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো যানবাহন প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কেনা যাবে। এই ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ছাড়া অন্যান্য নতুন বা প্রতিস্থাপিত জিপ ও কার অবশ্যই সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিকচালিত হতে হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম বা ঋণ প্রদানও স্থগিত করা হয়েছে।

নির্মাণ প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। নতুন আবাসিক ও অনাবাসিক ভবন নির্মাণ এবং ভূমি অধিগ্রহণ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় বন্ধ থাকবে। তবে চলমান কোনো প্রকল্পের কাজ যদি অন্তত ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে থাকে, তবে অর্থ বিভাগের অনুমতি নিয়ে সেই কাজে ব্যয় অব্যাহত রাখা যাবে। পরিপত্র জারির আগে অনুমোদিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে উন্নয়ন বাজেটের আওতায় যানবাহন কেনার শর্ত শিথিল করা যেতে পারে। এছাড়া পরিচালন বাজেটের সব ধরনের থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণসহ বেশ কয়েকটি খাতে ব্যয় বন্ধ বা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়

পরিপত্র অনুযায়ী, পরিচালন বাজেটের আওতায় সব ধরনের থোক বরাদ্দ (অর্থনৈতিক কোড ৩৯১১১১১ ও ৪৯১১১১১) থেকে ব্যয় বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনার জন্য বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয়ও বন্ধ থাকবে। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো টিওএন্ডইভুক্ত যানবাহন প্রতিস্থাপন এবং নবগঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের টিওএন্ডইভুক্ত যানবাহন অর্থ বিভাগের

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি অর্থের অপচয় রোধে বিদেশ ভ্রমণ ও গাড়ি কেনায় কড়াকড়ি

আপডেট সময় : ১১:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু খাতে ব্যয় বন্ধ বা সীমিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশনা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সরকারি খাতের করপোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে প্রযোজ্য হবে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের আওতায় সরকারি অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিদেশি সরকার বা প্রতিষ্ঠানের বৃত্তি বা ফেলোশিপের আওতায় স্নাতকোত্তর ও ডক্টরেট পর্যায়ের পড়াশোনার জন্য বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ থাকবে। এছাড়া বিদেশি অর্থায়নে আয়োজিত প্রশিক্ষণ বা কর্মশালায় অংশ নেওয়া যাবে। পণ্য জাহাজীকরণের পূর্বপর্যায়ের পরিদর্শন বা কারখানায় গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ বা কারিগরিভাবে সনদপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, তবে এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষা সম্পন্ন করাকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।

পরিবহন খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সব ধরনের মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা বন্ধ থাকবে। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো যানবাহন প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কেনা যাবে। এই ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ছাড়া অন্যান্য নতুন বা প্রতিস্থাপিত জিপ ও কার অবশ্যই সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিকচালিত হতে হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম বা ঋণ প্রদানও স্থগিত করা হয়েছে।

নির্মাণ প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। নতুন আবাসিক ও অনাবাসিক ভবন নির্মাণ এবং ভূমি অধিগ্রহণ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় বন্ধ থাকবে। তবে চলমান কোনো প্রকল্পের কাজ যদি অন্তত ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে থাকে, তবে অর্থ বিভাগের অনুমতি নিয়ে সেই কাজে ব্যয় অব্যাহত রাখা যাবে। পরিপত্র জারির আগে অনুমোদিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে উন্নয়ন বাজেটের আওতায় যানবাহন কেনার শর্ত শিথিল করা যেতে পারে। এছাড়া পরিচালন বাজেটের সব ধরনের থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণসহ বেশ কয়েকটি খাতে ব্যয় বন্ধ বা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়

পরিপত্র অনুযায়ী, পরিচালন বাজেটের আওতায় সব ধরনের থোক বরাদ্দ (অর্থনৈতিক কোড ৩৯১১১১১ ও ৪৯১১১১১) থেকে ব্যয় বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনার জন্য বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয়ও বন্ধ থাকবে। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো টিওএন্ডইভুক্ত যানবাহন প্রতিস্থাপন এবং নবগঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের টিওএন্ডইভুক্ত যানবাহন অর্থ বিভাগের

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin