ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিজ এলাকায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সংসদ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পরিচালক কামাল হোসেন বাবরের বিরুদ্ধে অধরা খানের অভিযোগ ১০ জনের লিভারপুলকে হারিয়ে শেষ ৩০ মিনিটে সিটির জয় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, চাঁদপুরে ভূমি অফিসের কর্মচারী বরখাস্ত রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাতক্ষীরায় দেড় লক্ষাধিক দিয়াশলাই কাঠিতে তৈরি দুর্গা প্রতিমা সৌদিতে চার দফা হামলার দাবি হুতিদের, লক্ষ্যবস্তু বিমানবন্দর ও আরামকো জনগণের স্বার্থে আবু সাঈদের মতো জীবন দেব: জামায়াত এমপি বেলাল ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাওয়া যৌতুক নয়, রাসেলকে খালাস হাইকোর্টের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও হামলা, যাত্রী টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ড

বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর:
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

রংপুর বিভাগে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষের মধ্যে ৯০ লাখের মতো মানুষ নদীভাঙন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অভাব, ভূমিহীন সহ নানান সমস্যায় জর্জরিত। এ অঞ্চলের ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। এর মধ্যে ৫৫ শতাংশ খেতমজুর, ২৭ শতাংশ শ্রমিক, ১০ শতাংশ প্রান্তিক কৃষক, ৬ শতাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ২ শতাংশ অন্যান্য পেশার সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি জাতীয় বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। অবহেলিত রংপুরের জন্য বরাদ্দ ১ শতাংশের কিছু বেশি। তা-ও স্পষ্ট নয়। অতীতের মতো এবারও বাজেট বৈষম্যের শিকার হয়েছে রংপুর বিভাগের মানুষ। এ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও সুধীজনদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এবার দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট হলেও শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নদী ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ অবকাঠামো ও কৃষিভিত্তিক শিল্প উন্নয়নে রংপুরের জন্য বিশেষ কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এমনকি এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় রংপুর সিটি করপোরেশনের নামও উল্লেখ করা হয়নি। হাইটেক পার্ক, নভো থিয়েটার, রেলপথ উন্নয়নসহ কমপক্ষে দুই ডজন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে আছে। ওই সব প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার শ্রমিক, কর্মচারী অনেকটা বেকারের মতো জীবনযাপন করছেন। বাজেটে এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। উত্তরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে ৩ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ ধরা হয়েছে। কিন্তু উত্তরের কোথায় কোথায় এই টাকা ব্যয় হবে তা পরিষ্কার হয়নি। স্বাধীনতার এত বছরেও এ অঞ্চলের তেমন কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে কয়েকটি চিনিকল। নীলফামারীতে উত্তরা ইপিজেড ছাড়া এ অঞ্চলে শিল্প বলতে তেমন কিছু নেই বলেই চলে। ফলে কৃষির ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে এখানকার অর্থনীতি।

রংপুর জেলা সুজনের সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু জানান, সুষ্ঠু বাজেট প্রণয়নে রংপুরের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। উন্নয়ন বরাদ্দেও বৈষম্য করা হয়েছে। সুষ্ঠু নীতিমালা ও সংরক্ষণের অভাবে অনেক সময ধান, আলুসহ অন্যান্য ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চাষিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর

আপডেট সময় : ১১:২৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

রংপুর বিভাগে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষের মধ্যে ৯০ লাখের মতো মানুষ নদীভাঙন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অভাব, ভূমিহীন সহ নানান সমস্যায় জর্জরিত। এ অঞ্চলের ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। এর মধ্যে ৫৫ শতাংশ খেতমজুর, ২৭ শতাংশ শ্রমিক, ১০ শতাংশ প্রান্তিক কৃষক, ৬ শতাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ২ শতাংশ অন্যান্য পেশার সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি জাতীয় বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। অবহেলিত রংপুরের জন্য বরাদ্দ ১ শতাংশের কিছু বেশি। তা-ও স্পষ্ট নয়। অতীতের মতো এবারও বাজেট বৈষম্যের শিকার হয়েছে রংপুর বিভাগের মানুষ। এ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও সুধীজনদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এবার দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট হলেও শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নদী ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ অবকাঠামো ও কৃষিভিত্তিক শিল্প উন্নয়নে রংপুরের জন্য বিশেষ কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এমনকি এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় রংপুর সিটি করপোরেশনের নামও উল্লেখ করা হয়নি। হাইটেক পার্ক, নভো থিয়েটার, রেলপথ উন্নয়নসহ কমপক্ষে দুই ডজন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে আছে। ওই সব প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার শ্রমিক, কর্মচারী অনেকটা বেকারের মতো জীবনযাপন করছেন। বাজেটে এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। উত্তরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে ৩ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ ধরা হয়েছে। কিন্তু উত্তরের কোথায় কোথায় এই টাকা ব্যয় হবে তা পরিষ্কার হয়নি। স্বাধীনতার এত বছরেও এ অঞ্চলের তেমন কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে কয়েকটি চিনিকল। নীলফামারীতে উত্তরা ইপিজেড ছাড়া এ অঞ্চলে শিল্প বলতে তেমন কিছু নেই বলেই চলে। ফলে কৃষির ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে এখানকার অর্থনীতি।

রংপুর জেলা সুজনের সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু জানান, সুষ্ঠু বাজেট প্রণয়নে রংপুরের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। উন্নয়ন বরাদ্দেও বৈষম্য করা হয়েছে। সুষ্ঠু নীতিমালা ও সংরক্ষণের অভাবে অনেক সময ধান, আলুসহ অন্যান্য ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চাষিরা।